জন্মদিন মানেই সব সময় বেলুন, সাজসজ্জা আর নিখুঁত ভাবে সাজানো কেক নয়। কখনও কখনও তাতে জুড়ে যায় চার টুকরো পেস্ট্রি আর এক বাবা। যিনি তাঁর সমস্ত কিছু দিয়ে চেষ্টা করেন সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। ‘শ্রীসাথিয়া’ নামের এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করা হয়েছে ভিডিয়োটি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ছেলের জন্য একটি আস্ত জন্মদিনের কেক কেনার সামর্থ্য নেই বাবার। তাই তিনি চারটি পেস্ট্রি কিনে সেগুলিকে একসঙ্গে জুড়ে দিয়ে কেকের মতো একটি আকৃতি দিয়েছেন।
যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, কেক রাখার জন্য ছোট টেবিলও নেই তাঁদের। শিশুটির বাবা একটি বালতিকে অস্থায়ী স্ট্যান্ড হিসাবে ব্যবহার করে তার উপর পেস্ট্রিগুলি রাখলেন। তাঁর ছেলে একটি ছোট প্লাস্টিকের চেয়ারে বসেছিল এবং তার বোন এগিয়ে এসে কেক কাটার মুহূর্তে তার হাতটি ধরে। এই উদ্যাপনের কোনও কিছুই দেখে ব্যয়বহুল বলে মনে হয় না। তবুও এর মধ্যে এমন কিছু ছিল যা টাকা দিয়ে সহজে কেনা যায় না বলে দাবি করেছেন নেটাগরিকেরা। ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে এবং বাবা ও তাঁর সন্তানদের পরিচয় অবশ্য জানা যায়নি ভিডিয়োটি থেকে।
সমাজমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে ভিডিয়োটিতে ওই বাবার প্রচেষ্টা। সামর্থ্য না থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে তিনি উদ্যাপন করেছেন শুধুমাত্র সন্তানের হাসিমুখ দেখতে চেয়ে। অনেকেই বাবার প্রচেষ্টার উপর আলোকপাত করেছেন। এক জন লিখেছেন, “এই পেস্ট্রিগুলির মধ্যেই তাঁর ভালবাসা লুকিয়ে।” আরও এক জন বলেছেন, “স্বল্প বাজেট কিন্তু অফুরন্ত আনন্দ।” এক জন প্রশংসা করে ‘ভাল অভিভাবকত্বের নিদর্শন’ও বলেছেন পুরো ঘটনাটিকে।
আরও পড়ুন:
কিছু সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী আবার কেক ছাড়া জন্মদিন উদ্যাপনের শৈশবের স্মৃতি শেয়ার করেছেন। এক জন বলেছেন, তাঁদের পরিবারে জন্মদিন মানেই ছিল হালুয়া এবং পালং পনিরের মতো ঘরে তৈরি খাবার। তবে অনেকে আবার মন্তব্য করেছেন, “চারটি ছোট পেস্ট্রির দাম জুড়লে একটি ছোট কেক কেনা যেতে পারে।” কেউ আবার শিশুটির জন্য একটি জন্মদিনের পার্টি আয়োজন করে দেওয়ারও প্রস্তাব দিয়েছেন।