বাড়িতে যারা গৃহকর্মে সহায়তা করেন তাঁদের ভবিষ্যতের সঞ্চয়ের কথা ক’জনই বা ভাবেন! বেতনটুকু ছাড়া পেনশন বা প্রভিডেন্ট ফান্ডের মতো আর্থিক সুরক্ষার আওতায় আসেন না তাঁরা। বছরের পর বছর কাজ করার পরেও আর্থিক নিরাপত্তা থাকে না রাঁধুনি, পরিচারিকা কিংবা গাড়িচালকদের। তবে ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়। সেই উপায় বার করেছেন এক ব্যক্তি। বেতন দেওয়া ছাড়াও এমন একটি পদক্ষেপ করেছেন যেখানে তাঁর দুই কর্মচারীর ভবিষ্যৎ কিছুটা মজবুত হয়। সেই কথাই তিনি ভাগ করে নিয়েছেন সমাজমাধ্যমের পোস্টে। ভাইরাল হয়েছে পোস্টটি। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
এক্স-এ একটি পোস্টে নরেশ নামের এক ব্যক্তি বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, তাঁর গাড়িচালক, রাঁধুনি ও গৃহকর্ম সহায়কদের কোনও পেনশন বা প্রভিডেন্ট ফান্ড নেই। তাঁদের আর্থিক নিরাপত্তা দিতে এক অভিনব পদক্ষেপ করেছেন বলে পোস্টে জানান নরেশ। প্রত্যেকের জন্য ২৫,০০০ টাকা করে একটি কিসান বিকাশ পত্র কিনেছেন তিনি। স্বল্প পরিমাণ টাকা দিয়ে তা শুরু করেছেন। পরে এই সঞ্চয় ১০ বছরে দ্বিগুণ হবে। এই পরিমাণ টাকা প্রতি বছর দুই কর্মীর জন্য জমা করবেন বলে পরিকল্পনা করেছেন পোস্টদাতা।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আপনার বাড়িতেও যদি কোনও কর্মী থাকেন, তবে তাঁদের অবসরজীবনের জন্য একটি ছোট বিনিয়োগের কথা ভাবতে পারেন। এমনকি ১০,০০০ টাকা দিয়েও শুরু করতে পারেন। এই সঞ্চয়ই তাঁদের বার্ধক্যের সময় বেশ কিছুটা আর্থিক সহায়তা দেবে।”
আরও পড়ুন:
পোস্টটি ভাইরাল হতেই নরেশের চিন্তাভাবনা নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। পোস্টটিতে প্রচুর পরিমাণে প্রতিক্রিয়া জমা পড়েছে। অনেকেই কর্মীদের নিয়মিত বেতন ছাড়াও তার বাইরে গিয়ে বাড়ির সহায়ক কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সাহায্যের কথা ভাবার জন্য নরেশের প্রশংসা করেছেন।