গাড়িচালকের উপস্থিত বুদ্ধির জেরে প্রাণ বাঁচল শিশুর। ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডার সেক্টর ৬৯-এ। শিশুটি হামাগুড়ি দিয়ে সেক্টর ৬৯-এর একটি রাস্তার ঠিক মাঝখানে চলে আসে। তখনই তার দিকে ধেয়ে আসছিল একটি গাড়ি। কিন্তু শিশুটির থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে ব্রেক কষেন সতর্ক চালক। সেই ঘটনারই শিউরে ওঠা একটি ভিডিয়ো সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম হিসাবে ভিডিয়োটি এই প্রতিবেদনের সঙ্গে প্রকাশ না করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।
আরও পড়ুন:
ইনস্টাগ্রামে ‘সেফকারস_ইন্ডিয়া’ নামের হ্যান্ডল থেকে শেয়ার করা ওই ‘ড্যাশক্যাম’ ফুটেজের শুরুতেই দেখা যায়, গাড়িচালক সাবধানে একটি মোড় ঘুরছেন। আচমকাই এক বাইকআরোহী বেশ বিপজ্জনক ভাবে তাঁর পথ আটকান। বাইক চালকের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়ানোর কয়েক সেকেন্ড পরেই ওই গাড়ির চালক আলোহীন রাস্তায় ছোট্ট শিশুটিকে দেখতে পান। গাড়ির চালক বার বার হর্ন বাজাতে থাকেন। তখনই এক মহিলাকে ধীরে ধীরে রাস্তা পার হতে দেখা যায়। শিশুটিকে কোলে তুলে নেন তিনি। নেটাগরিকদের অনেকে দাবি করেছেন, ওই মহিলাই শিশুটির মা। তাঁর অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া দেখে চালক তাঁকে ছোট শিশুর বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
সমাজমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে ভিডিয়োটি। সময়মতো গাড়িটি থামানোর জন্য চালকের প্রশংসা করেছেন নেটাগরিকেরা। তবে, ফুটেজটি তীব্র ক্ষোভেরও জন্ম দিয়েছে নেটপাড়ায়। অনেকের অভিযোগ, “মা নির্বিকার এবং ইচ্ছাকৃত ভাবে শিশুটিকে চলন্ত যানবাহনের সামনে ওই অবস্থায় ফেলে রেখেছিলেন।” কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, “ওই মা-এর অভিব্যক্তি এমন যেন তিনি অপেক্ষা করছিলেন কখন কেউ গাড়ি থেকে নেমে বাচ্চাটিকে ধরবে, যাতে তিনি অপহরণ বা ওই জাতীয় কোনও অভিযোগ করে কিছু টাকা হাতিয়ে নিতে পারেন। কারণ, ছোট শিশুদের আলো বা চলমান বস্তু অনুসরণ করার সহজাত ক্ষমতা থাকে।” আরও একজন বলেছেন, “ইচ্ছাকৃত ভাবেই করা হয়েছে। পরিকল্পনাটি ব্যর্থ হওয়ায় তাঁকে চিন্তিত বা আতঙ্কিত হওয়ার পরিবর্তে, হতাশ বলে মনে হচ্ছিল।”