বছর ঘুরে আসে দুর্গাপুজো। ঋতুর চাকায় ফেরে শরৎকাল। বাঙালির জীবনে এসে পড়ে পুজোর আলো। শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। আজ পঞ্চমী। কাল থেকেই শুরু মায়ের পুজো। চারদিকে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। শুরু হয়ে গিয়েছে দুর্গাপুজোর তোড়জোড়। এই সময়ে মায়ের আগমনে সকলের মনে একটা আলাদা আনন্দের অনুভূতি থাকে। দুর্গাপুজো মানেই আনন্দে মেতে থাকা। বন্ধু এবং পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া, দেদার খাওয়া, ঠাকুর দেখা আরও কত কী!
আনন্দযজ্ঞে ব্যতিক্রম হলেন না ভারতে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর-ও। দুর্গোৎসবের উদ্যাপন প্রত্যক্ষ করতে কলকাতা ঘুরে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখলেন তিনি। কলকাতা সফর করে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব নিয়ে তাঁর ভাবনাও তুলে ধরলেন এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে। তাঁর পোস্টে এই উৎসব নিয়ে মানুষের আন্তরিকতা এবং প্যান্ডেলগুলিতে প্রদর্শন করা সৃজনশীলতার উপর আলোকপাত করেছেন আমেরিকান রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো। সমাজমাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে পোস্টটি। তাঁকে পাল্টা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা।
শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘ। হালকা রোদের আমেজ। এই সময়টিতেই বাঙালির মনে অজান্তে বেজে ওঠে আগমনী সুর। শুরু হয় মায়ের আগমনের অপেক্ষা। দুর্গাপুজো তাই শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বাঙালির সংস্কৃতি, ভাষা এবং শিকড়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক গভীর আবেগ।
ভাইরাল হওয়া পোস্টে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে সার্জিয়ো গোর বলেন, “কলকাতায় ফিরে খুব ভাল লাগছে! বেশ কিছু সুন্দর মণ্ডপ ঘুরে দেখলাম। এখানকার অসাধারণ সৃজনশীলতা, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং উষ্ণ আতিথেয়তার পরিচয় পেয়েছি। এই উৎসবটি কেন এত বিশেষ, তা এখন সহজেই বুঝতে পারছি। যাঁরা এই উৎসব উদ্যাপন করছেন, তাঁদের সবাইকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা!”
আরও পড়ুন:
এই উৎসব এবং এর উদ্যাপনের প্রশংসা করেছেন তিনি। তিনি তুলে ধরেছেন, কী ভাবে প্যান্ডেলগুলির সৃজনশীলতা এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এই উৎসবকে এত বিশেষ করে তুলেছে। কলকাতায় সফর করে ভারতে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর সকলকে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।