গলায় শক্ত ভাবে আটকে গিয়েছিল ট্র্যাক্টরের টায়ার। হাঁসফাঁস করছিল বুনো হাতি। অবশেষ টায়ারের বন্ধন থেকে মুক্ত করা হল তাকে। ঘটনাটি ঘটেছে অসমে। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে অসমের গোলাঘাট জেলায়। সেখানে একটি বুনো হাতির গলায় ট্র্যাক্টরের একটি টায়ার আটকে গিয়েছিল। গলার চারপাশে টায়ারটি চেপে বসে থাকার কারণে ধুঁকছিল হাতিটি। প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয় সেটির। বুনো হাতিটির অসহায় অবস্থা দেখে এগিয়ে আসেন কাজিরাঙার ‘সেন্টার ফর ওয়াইল্ডলাইফ রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড কনজারভেশন’-এর কর্মীরা। উদ্ধার অভিযানে নামেন তাঁরা। এগিয়ে আসে গোলাঘাট বন বিভাগ এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও। উদ্ধারকারী দল সফল ভাবে হাতিটির গলা থেকে টায়ারটি বার করে প্রাণীটিকে নতুন জীবন দান করে। সেই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ঠিক কী পরিস্থিতিতে হাতিটির গলায় টায়ারটি আটকে গিয়েছিল, তা এখনও অজানা। তবে এই ঘটনাটি আবার বন্যপ্রাণীদের, বিশেষ করে মানববসতির কাছাকাছি বসবাসকারী প্রাণীদের জন্য মানুষের ফেলে দেওয়া বর্জ্য বা কৃত্রিম সামগ্রীর বিপদ সম্পর্কে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়েছে ‘স্ট্রিটডগসঅফবোম্বে’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নেটপাড়া। যেখানে সেখানে বর্জ্য এবং কৃত্রিম সামগ্রী ফেলার বিষয়েও মানুষকে সতর্ক করেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। তাঁদের যুক্তি বন্যপ্রাণীদের কাছাকাছি থাকা মানববসতিগুলিকে আরও বেশি করে সাবধান থাকতে হবে। কারণ, মানবসৃষ্ট বর্জ্য থাকে বন্যপ্রাণীদের প্রাণহানিরও আশঙ্কা থাকে।