পুরনো কম্পিউটার সারাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঘরে ঢুকেছিলেন ছেলে। দেখতে পান ঘরের মধ্যে পড়ে রয়েছে বাবার পচাগলা দেহ! এক রাইফেল সংস্থার কর্মীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায়। খুন না আত্মহত্যা, তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ।
আমডাঙা থানার সন্তোষপুর মথুরা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন তন্ময় জানা। তন্ময় বাড়িতে স্ত্রী সুতপা জানা, শাশুড়ি এবং পুত্রকে নিয়ে থাকতেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তন্ময়ের পরিবারে অশান্তি চলছিল। সুতপা পেশায় একজন চিকিৎসক। পরিবার সূত্রে খবর, ওই বাড়ির একটা ঘরে পুরনো জিনিসপত্র ডাঁই করে রাখা থাকে। ওখানেই ছিল একটি পুরনো কম্পিউটার। সেই কম্পিউটার সারাতে নিয়ে যাবেন বলে তন্ময়ের ছেলে ওই ঘরে ঢোকেন। দেখতে পান ঘরের মধ্যে পড়ে রয়েছে তাঁর বাবার নিথর দেহ। তৎক্ষণাৎ তিনি তাঁর মাকে ডাকেন।
আরও পড়ুন:
ডাকাডাকি, চিৎকার শুনে তন্ময়ের বাড়িতে আসেন প্রতিবেশীরাও। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অন্তত তিন-চার দিন আগে তন্ময়ের মৃত্যু হয়েছে। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। প্রশ্ন উঠছে, তন্ময় যে বাড়িতে ছিলেন না, তা নিয়ে কি কোনও খোঁজখবর করেননি তাঁর স্ত্রী, পুত্রেরা? খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় আমডাঙা থানার পুলিশ। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।