E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

পুরসভায় অচলাবস্থা, নাকাল বাসিন্দা

বসিরহাট পুরসভার ২৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে অধিকাংশ এলাকাই বর্ষায় জলমগ্ন। কোথাও নিকাশি বেহাল, কোথাও আবার যত্রতত্র জমে রয়েছে নোংরা-আবর্জনা। অভিযোগ, ত্রিপলের জন্য পুরসভায় এসে দিনের পর দিন ঘুরেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে দরিদ্র নাগরিকদের।

অর্ণব ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: ১০ অগস্ট ২০২৬ ০১:৪৩
বসিরহাট পুরসভা।

বসিরহাট পুরসভা। — ফাইল চিত্র।

তৃণমূলের দখলে থাকা বসিরহাট পুরসভার বোর্ড কয়েক মাস আগেই ভেঙে দিয়েছিল তৎকালীন রাজ্য সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। পরিষেবা ঠিক মতো না দেওয়া এবং একাধিক বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছিল। পরে মহকুমাশাসককে পুরপ্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সম্প্রতি নতুন প্রশাসক এলেও পুর পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ অব্যাহত।

বসিরহাট পুরসভার ২৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে অধিকাংশ এলাকাই বর্ষায় জলমগ্ন। কোথাও নিকাশি বেহাল, কোথাও আবার যত্রতত্র জমে রয়েছে নোংরা-আবর্জনা। অভিযোগ, ত্রিপলের জন্য পুরসভায় এসে দিনের পর দিন ঘুরেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে দরিদ্র নাগরিকদের। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র পেতেও মাসের পর মাস সময় লাগছে বলে ক্ষোভ আছে।

২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অঞ্জলি পাল, ২ নম্বর ওয়ার্ডের গীতা বাছারেরা বলেন, ‘‘জলে ঘর ভাসছে। চার-পাঁচ দিন ধরে পুরসভায় আসছি একটা ত্রিপলের আশায়। কিন্তু ত্রিপল মিলল না। এক টেবিলের আধিকারিক অন্য টেবিলে যেতে বলেন, কিন্তু সমস্যার সমাধান হয় না। কী করলে ত্রিপল পাব বুঝতে পারছি না।’’ শুক্রবার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সোমা দত্ত রায়চৌধুরীর অভিযোগ, ‘‘আমার সন্তানের জন্মের শংসাপত্র নিতে অনেক দিন ধরে পুরসভায় আসছি। এ দিনও পাইনি। সমস্যার মধ্যে পড়েছি।’’

বিজেপি নেতা সুকল্যাণ বৈদ্যের কটাক্ষ, ‘‘তৃণমূলের যে পুর প্রতিনিধিরা ছিলেন, তাঁদের এলাকায় দেখা যায় না। তাঁরা এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সামনে পুর নির্বাচন হলে এই সমস্যার সমাধান হবে। তবে প্রশাসকের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। দ্রুত মানুষের সমস্যা সমাধানের জন্য বলেছি।’’

পুর প্রশাসক নাজিরউদ্দিন সরকারের দাবি, ‘‘বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি ভাবে মাছের ভেড়ি তৈরি করে রাখায় জল বাইরে বেরোতে পারছে না। এই সমস্যা আজকের নয়, গত পাঁচ-দশ বছরের। তবে আমরা সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি। সব রকম পরিষেবা মানুষ পাবেন। কোথাও সমস্যা হলে আমাদের জানাতে বলছি। দ্রুত তা সমাধানের চেষ্টা করছি।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Basirhat Municipality Basirhat

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy