E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কশতলায় নদীবাঁধে ধস, আতঙ্কে বাসিন্দারা

গত প্রায় তিন বছর ধরে ওই এলাকায় দফায় দফায় ভাঙন চলছে। কিন্তু স্থায়ী ও শক্তপোক্ত বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা হয়নি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৩৫
ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে বাঁধের একাংশ।

ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে বাঁধের একাংশ। নিজস্ব চিত্র।

গঙ্গাসাগরের প্রধান প্রবেশদ্বার কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটের পাশেই কশতলা গ্রামে মুড়িগঙ্গা নদীর ভাঙনে আতঙ্ক ছড়াল। বুধবার ভোরে আচমকাই প্রায় ১০০ মিটারের কাছাকাছি নদীবাঁধে ধস নামে। বাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় ঘরবাড়ি, দোকানপাট এবং চাষের জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত প্রায় তিন বছর ধরে ওই এলাকায় দফায় দফায় ভাঙন চলছে। কিন্তু স্থায়ী ও শক্তপোক্ত বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা হয়নি। তাঁদের দাবি, বাঁধের পাশ দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ যাতায়াত করায় তৈরি হওয়া ঢেউ ও প্রবল স্রোতের ধাক্কায় ভাঙনের তীব্রতা আরও বাড়ছে। সম্প্রতি ঘোড়ামারা দ্বীপের বিস্তীর্ণ অংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় নদীর গতিপ্রকৃতিতেও পরিবর্তন এসেছে। ফলে মুড়িগঙ্গার মূল স্রোত সরাসরি এসে এই অংশের দুর্বল বাঁধে ধাক্কা মারছে বলে তাঁদের দাবি।

পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের তরফে আপতকালীন ভাবে একটি রিং বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। তবে সেই বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সম্পূর্ণ মাটি দিয়ে তৈরি ওই রিং বাঁধ অত্যন্ত দুর্বল। প্রবল জোয়ারের ধাক্কায় সেটিও ভেঙে গিয়ে গ্রামে জল ঢুকে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।

স্থানীয় বাসিন্দা অজয় মাইতি বলেন, ‘‘তিন বছর ধরে এই এলাকায় ভাঙন চলছে। বার বার বাঁধ ভাঙছে, মাটি দিয়ে কোনও রকমে মেরামত করা হচ্ছে। বাড়িঘর, দোকানপাট, চাষের জমি সব কিছু হারানোর আশঙ্কা হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী ও মজবুত বাঁধের ব্যবস্থা করা দরকার।’’

সাগর ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘ভাঙনের বিষয়টি নজরে রয়েছে। আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় রিং বাঁধ তৈরি করে জল আটকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।’’ সেচ দফতরকে বিষয়টি জানানোর পরে মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Sagar Island River Erosion

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy