E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

স্কুলের জলাধারে মৃত পাখি, দুর্গন্ধে আতঙ্ক

অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন স্কুলের জলাধারটি খোলা অবস্থায় পড়েছিল। সম্প্রতি জল থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৩৮
স্কুলের জলাধারে ভাসছে মৃত পাখির দেহ।

স্কুলের জলাধারে ভাসছে মৃত পাখির দেহ। নিজস্ব চিত্র ।

স্কুলের জল থেকে আসছিল দুর্গন্ধ। অভিভাবকেরা পড়ুয়াদের থেকে তা জেনে জলাধারে উঁকি দিতেই দেখেন পড়ে রয়েছে মৃত পাখি! পাশে কিলবিল করছে পোকামাকড়। দুর্গন্ধযুক্ত সেই জলেই রান্না করা হচ্ছিল মিড-ডে মিল। মঙ্গলবার ক্যানিং ১ ব্লকের গোপালপুর পঞ্চায়েতের গোলাডহরা কুসুমমণি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ছবি ধরা পড়তেই ক্ষোভ জানান অভিভাবকেরা। বিডিও সনৎকুমার দাস বলেন, ‘‘বিষয়টি নজরে এসেছে। স্কুল পরিদর্শককে গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।’’

অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন স্কুলের জলাধারটি খোলা অবস্থায় পড়েছিল। সম্প্রতি জল থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। তারপরেই জলাধারের এই পরিস্থিতি সামনে আসে। অভিভাবকদের ক্ষোভ, গত কয়েক দিন ধরে ওই জলই পড়ুয়াদের পান করানো হয়েছে এবং মিড-ডে মিলের রান্নাতেও ব্যবহার করা হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোবিন্দপ্রসাদ মণ্ডল বলেন, ‘‘ওই জল পড়ুয়াদের পান করার জন্য ব্যবহার করা হত না। শুধুমাত্র রান্নার কাজে ওই জল ব্যবহার করা হত।’’ তাঁর দাবি, ‘‘জল থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার বিষয়টি নজরে আসার পরে সোমবার থেকেই তা রান্নার কাজে ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার জলাধার সাফ করা হয়েছে।’’ স্কুলের শিক্ষকদের দাবি, ঝোড়ো হাওয়ায় জলাধারের ঢাকনা খুলে গিয়ে থাকতে পারে।

স্কুলের রান্নার দায়িত্বে থাকা কর্মীরাও জানান, দুর্গন্ধের কারণে সোমবার থেকে ট্যাঙ্কের জল দিয়ে রান্না বন্ধ রয়েছে। তবে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরে বুধবার মিড-ডে মিলের খাবার খেতে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি করে। ওই দিন স্কুলে ৬০ জন পড়ুয়া উপস্থিত থাকলেও মাত্র ১৫ জন খাবার খেয়েছে বলে দাবি রান্নার কর্মীদের।

জলাধার সাফ করার পাশাপাশি দ্রুত নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকেরা। তাঁদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে জলাধারটি কী ভাবে খোলা অবস্থায় ছিল? অভিভাবক গৌরী হালদার ও নিতাই মণ্ডলের কথায়, ‘‘স্কুলে ছোট ছোট বাচ্চারা পড়ে। ওই জলাধারের জলই তাঁরা পান করে। জলাধার দিনের পর দিন খোলা অবস্থায় কী ভাবে পড়ে ছিল, জানি না। শিক্ষিকাদের এ বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Canning

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy