প্রার্থনা চলাকালীন গির্জায় চড়াও হয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর নারায়ণতলায়। শনিবার সন্ধ্যায় এই ঘটনায় গির্জার পাদরি-সহ বেশ কয়েক জন আহত হন। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে রবিবার ধর্মান্তরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। তাতে বজরং দলের পাঁচ জন আহত হন বলে অভিযোগ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, বাসন্তীর নারায়ণতলায় একটি নতুন গির্জা তৈরি হয়েছে। শনিবার সেটির উদ্বোধন উপলক্ষে প্রার্থনাসভার আয়োজন হয়। অভিযোগ, সন্ধ্যায় প্রার্থনা চলাকালীন কিছু দুষ্কৃতী হামলা চালায়। উপস্থিত লোকজনকে মারধর, গির্জার ভিতরে ভাঙচুর করা হয়। পরে বাসন্তী থানায় অভিযোগ করা হয়। গির্জার সম্পাদক শেখর বাগ বলেন, ‘‘হামলার কী কারণ, জানা নেই। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’’ বাসন্তীর বিজেপি নেতা বিকাশ সর্দার বলেন, ‘‘এই ঘটনা সমর্থনযোগ্য নয়। পুলিশকে বলব, নিরপেক্ষ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে।’’ পুলিশ জানায়, তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।
রবিবার দুপুরে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের গোলা মোড়ে একটি বাড়িতে ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে কয়েকটি পরিবারকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে বজরং দল ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা সেখানে হাজির হন। দু’পক্ষের বচসা থেকে সংঘর্ষ বেধে যায়। অভিযোগ, ওই বাড়িটিতে ভাঙচুর চালানো হয়। যদিও বজরং দলের উত্তর মালদহ জেলা সংযোজক ঋতম দাসের দাবি, ‘‘ভাঙচুরের ঘটনায় আমরা জড়িত নই। বাইরে থেকে লোক এসে ধর্মান্তরণ করছে, আমরা তার প্রতিবাদ করেছি।’’ বজরং দলের আহত সদস্যদের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পুলিশের বড় বাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।