এই মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে নতুন সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের কাজ। স্পিকারের অফিস থেকে তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে, প্রথামাফিক কোন কমিটিতে কে থাকবেন সেই নাম চাওয়া হয়েছিল। জবাবে অভিষেক এনসিপিআইয়ের ২০ জন সাংসদকে কোনও মন্ত্রকের স্থায়ী সংসদীয় কমিটিতে জায়গা না দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।
অভিষেক বলেছেন, ওই ২০ জনের সাংসদ পদ খারিজের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। স্পিকারের কাছেও হলফনামা দেওয়া রয়েছে। তাই ২০ জনকে বাদ দিয়ে তাঁর দলের বাকি ৮ জনের কমিটির তালিকা তিনি আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে পাঠিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে লোকসভায় তৃণমূলের জন্য আগের মতোই একটি সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানের পদ চেয়েছেন অভিষেক। নিয়ম হচ্ছে, কোন কমিটিতে কে যাবেন তা সংসদীয় দলের নেতার কাছ থেকে চাওয়া হয়। কোন কমিটির চেয়ারম্যান কে হবেন তা রাজনৈতিক দলের সংখ্যার অনুপাতে নেতৃত্বই বেছে দেন। তৃণমূলের একটি লোকসভার সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান কীর্তি আজাদ, যিনি এখনও তৃণমূলেই রয়েছেন।
তবে সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী জিতে আসা প্রত্যেক সাংসদকে কোনও কমিটিতে নেওয়া বাধ্যতামূলক, যদি না তিনি বরখাস্ত হন। সে ক্ষেত্রে অভিষেকের চিঠি সত্ত্বেও ওই কুড়ি জনকে স্পিকার জায়গা দিতে পারেন বলেই সূত্রের খবর। লোকসভা সচিবালয়ের রেকর্ড অনুযায়ী, এই ২০ জন দলত্যাগী সাংসদ খাতায়-কলমে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য।