Advertisement
E-Paper

৭৫ বছরে পা দিয়ে অনিশ্চয়তায় বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী কালীপুজো! প্রোমোটার-দ্বন্দ্বে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ক্লাব কর্তৃপক্ষ, পাল্টা অভিযোগ

ক্লাব কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, জমির মালিক ও সহ-প্রোমোটার তামিম হোসেনের সঙ্গে বহুতল নির্মাণের বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট মাপের ক্লাবঘর তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ১১:২১
Kali Puja

প্রোমোটারকে দায়ী করে বর্ধমান ক্লাব কর্তৃপক্ষের নোটিস। —নিজস্ব চিত্র।

৭৫ বছরের ঐতিহ্য। অথচ প্ল্যাটিনাম জুবিলিতেই অনিশ্চয়তার মুখে বর্ধমান শহরের পার্কাস রোডের কালীপুজো। প্রোমোটারের সঙ্গে জমি এবং ক্লাবঘর নিয়ে বিবাদের জেরে এ বছর পুজোর আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগে উদ্যোক্তারা। সমস্যা সমাধানে তাঁরা একেবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপ চাইলেন। ওই মর্মে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

বর্ধমান পুরসভার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্ধমান ক্রীড়া শক্তি সঙ্ঘের উদ্যোগে প্রতি বছর সরস্বতী এবং কালীপুজো হয়। ২০২৬ সালে তাদের কালীপুজো ৭৫ বছরে পা দেবে। কিন্তু হঠাৎ জটিলতা।

ক্লাব কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, জমির মালিক ও সহ-প্রোমোটার তামিম হোসেনের সঙ্গে বহুতল নির্মাণের বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট মাপের ক্লাবঘর তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। একতলার ছাদ ঢালাইয়ের সময়ই ক্লাবের নির্ধারিত অংশ নির্মাণ করে বুঝিয়ে দেওয়ার শর্তও ছিল। এখন ক্লাব কর্তৃপক্ষ বলছেন, চুক্তি অমান্য করে ইতিমধ্যে চারতলার ছাদ ঢালাই হয়েছে এবং ক্লাবঘর তৈরিই হয়নি। উল্টে পুজোর জায়গা নির্মাণসামগ্রী দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। পুজোর সামগ্রী রাখার ঘরটিও ইট-বালি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। জায়গা পরিষ্কার করে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করতে গেলে ক্লাবের সদস্যেরা মালিকপক্ষের হুমকির মুখে পড়েন। তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের এ-ও দাবি, ওই নিয়ে একাধিক বার বর্ধমান থানার আইসি-র কাছে অভিযোগ করেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। তা ছাড়া ওই ক্লাবঘরে একটি আইসিডিএস কেন্দ্র করা হয়েছিল। বহুতল নির্মাণের কারণে অন্যত্র সরে যেতে হচ্ছে তাদের।

ক্লাব কর্তৃপক্ষের সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন প্রোমোটার তামিম হোসেন। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ক্লাব কর্তৃপক্ষ বারবার তাঁকে সমস্যায় ফেলছেন এবং মিথ্যা অভিযোগ করছেন। সেই কারণে তিনিও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুলিশেও জানিয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে পুজোর ঐতিহ্য বজায় রাখা নিয়ে উদ্বিগ্ন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ক্লাবঘর ফিরিয়ে দেওয়া এবং নির্বিঘ্নে পুজোর আয়োজনের ব্যবস্থা করার দাবিতে ১ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন ক্লাবের সম্পাদক শ্রীধর বন্দ্যোপাধ্যায়।

Promoter Burdwan club Kali Puja

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy