দু’টি ফাঁকা বাড়িতে চুরির অভিযোগ উঠল কাঁকসায়। শনিবার সকালে কাঁকসা থানা থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরবর্তী গাঙ্গুলিপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি থেকে সোনার অলঙ্কার ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। সন্ধ্যাতেও থানার অদূরে একটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঙ্গুলিপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে একাই থাকতেন রমা সিংহ নামে এক মহিলা। দিন তিনেক আগে রমা তাঁর ছোট মেয়ে রত্না হাজরার বাড়িতে গিয়েছিলেন। শনিবার সকালে ফেরার কথা ছিল তাঁর। অভিযোগ, বাড়ির গৃহ পরিচারিকা শনিবার সকালে বাড়িতে এসে দেখেন, দরজার তালা ভাঙা। ভিতরে আলমারি খোলা। জিনিসপত্র লন্ডভন্ড হয়ে রয়েছে। খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন রমা। তাঁর ছোট মেয়ে রত্না এ দিন সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান, আলমারিতে থাকা সোনার গয়না, নগদ টাকা, বাসনপত্র চুরি গিয়েছে।
অন্য দিকে, থানার উল্টো দিকে আরও একটি বাড়িতে তালা ভেঙে চুরির অভিযোগ উঠেছে। থানার উল্টো দিকে প্রাক্তন সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়ির পাশেই ভাড়া থাকেন বেসরকারি সংস্থার কর্মী প্রিয়ব্রত ঘোষ। তিনি জানান, দিন দু’য়েকের জন্য নিজের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যায় ফিরে এসে দেখেন বাড়ির দরজার তালা ভাঙা, ভিতরের জিনিসপত্র লন্ডভন্ড। তাঁর অভিযোগ, জামাকাপড় থেকে শুরু করে নগদ টাকা, রুপোর অলঙ্কার, বাসনপত্র চুরি গিয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘যে ভাবে থানার অদূরে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে তাতেআমরা আতঙ্কিত।’’
চলতি বছরের জুলাই মাসে কাঁকসা থানার অদূরে শেরপুরে সুবীরচন্দ্র ঘোষের বাড়িতে কয়েক লক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি যায়। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার রেলপাড়ের সারদাপল্লিতে চুরির অভিযোগ ওঠে। এলাকাবাসীর দাবি, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চোরেদের ধরা যাচ্ছে না। এলাকায় পুলিশি নজরদারির আর্জিও জানান তাঁরা।
পুলিশের দাবি, রেলপাড়ে শিক্ষকের বাড়িতে চুরি ও অন্য একটি চুরির ঘটনায় মোট দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি চুরির তদন্ত চলছে।