Advertisement
E-Paper

অনূর্ধ্ব-১৫ ক্রিকেট ট্রায়ালে বিশৃঙ্খলা বর্ধমানে, মাঠে পুলিশ! বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন, অভিযোগ স্বজনপোষণেরও

অনূর্ধ্ব-১৫ জেলা ক্রিকেট দল তৈরি করার জন্য সোমবার ট্রায়ালের আয়োজন করেছিল পূর্ব বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা। দিনের শুরুতে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। তবে বেলা গড়াতেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ জুলাই ২০২৬ ২৩:১১
Chaos at Under-15 cricket trials in Bardhaman

ক্রিকেট ট্রায়ালকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা বর্ধমানের রাধারানি স্টেডিয়ামে। —নিজস্ব চিত্র।

অনূর্ধ্ব-১৫ ক্রিকেট ট্রায়ালকে কেন্দ্র করে সোমবার বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় বর্ধমানের রাধারানি স্টেডিয়ামে। যত জন উঠতি ক্রিকেটার ট্রায়ালে আসবে বলে আশা করেছিলেন আয়োজকেরা, তার তুলনায় অনেক বেশি ভিড় হয়। সেই ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষপর্যন্ত মাঠে নামে পুলিশ।

অনূর্ধ্ব-১৫ জেলা ক্রিকেট দল তৈরি করার জন্য সোমবার ট্রায়ালের আয়োজন করেছিল পূর্ব বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা। দিনের শুরুতে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। তবে বেলা গড়াতেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক ক্রিকেটার চলে আসায় ট্রায়ালে হট্টগোল শুরু হয়। নথি যাচাই থেকে শুরু করে ট্রায়ালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে গিয়ে চাপে পড়ে যান আয়োজকেরা। পরিস্থিতি এমন জায়গা পৌঁছোয় যে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ডাকতে হয়।

সোমবারের ট্রায়ালে যোগ দিতে রাধারানি স্টেডিয়ামে এসেছিল প্রায় ৩৫০ জন উঠতি ক্রিকেটার। অভিযোগ, লাঠি হাতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় আয়োজকদের। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে মাঠে পৌঁছোয় বর্ধমান থানার পুলিশ। যদিও তাদের দাবি, ক্রিকেট কিট সংক্রান্ত একটি সমস্যার কথা জানতে পেরে মাঠে গিয়েছিল তারা। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

অন্য দিকে, বাছাই পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ট্রায়ালে আসা উঠতি ক্রিকেটারদের অভিভাবকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, অনেককেই মাত্র একটি বা দু’টি বল খেলার সুযোগ দিয়েই মূল্যায়ন করা হয়েছে। এত অল্প সময়ে কোনও খেলোয়াড়ের দক্ষতা বিচার করা সম্ভব নয় বলে দাবি অভিভাবকদের। পাশাপাশি, দল বাছাইয়ে স্বজনপোষণের অভিযোগও তুলেছেন অভিভাবকদের একাংশ। ট্রায়ালের সমগ্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, ট্রায়ালে পর্যাপ্ত টিফিনের ব্যবস্থা ছিল না। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জেলার অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির ক্রিকেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুনীল ঠাকুর।

সুনীলের বক্তব্য, ‘‘প্রতিটি মহকুমা থেকে সর্বোচ্চ ১৫ জন ক্রিকেটার পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কয়েকটি মহকুমা থেকে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি ক্রিকেটার এসে পড়ায় সাময়িক ভাবে চাপ তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’’ তাঁর দাবি, সকল অংশগ্রহণকারীকে ট্রায়ালের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। টিফিনের ব্যবস্থাও ছিল। স্বজনপোষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি সুনীলের।

Purba Bardhaman Chaos

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy