E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সাফাই হয়নি নর্দমা, বর্ষায় ফিরছে জল-যন্ত্রণা

কাঁকসা ব্লকের সাতটি পঞ্চায়েতের অধীনে রয়েছে একশোরও বেশি ছোট বড় গ্রাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রায় প্রতিটি গ্রামে পাকা রাস্তা, পথবাতি, পানীয় জল সব কিছুরই ব্যবস্থা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬ ০০:৫৮
ত্রিলোকচন্দ্রপুর গ্রামের নিকাশি নালা।

ত্রিলোকচন্দ্রপুর গ্রামের নিকাশি নালা। — নিজস্ব চিত্র।

দীর্ঘ দিন ধরে নিকাশি নালা সাফাই না হওয়ার কারণে বর্ষা পড়তেই জল জমার চেনা সমস্যার ছবি ফিরতে শুরু করেছে কাঁকসা ব্লকের নানা প্রান্তে। ব্লকের প্রায় সব প্রান্তের মানুষজনেরই অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে নিকাশি না সাফাই না হওয়ায় একটু বেশি বৃষ্টি হলেই বাড়িগুলিতে জল ঢুকে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও। যদিও পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের দাবি, একশো দিনের কাজ বন্ধ হয়ে থাকা, পঞ্চায়েতের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকাতেই ঘটছে বিপত্তি। সমস্যা খতিয়ে দেখার আশ্বাস অবশ্য মিলেছে কাঁকসা ব্লক প্রশাসনের তরফে।

কাঁকসা ব্লকের সাতটি পঞ্চায়েতের অধীনে রয়েছে একশোরও বেশি ছোট বড় গ্রাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রায় প্রতিটি গ্রামে পাকা রাস্তা, পথবাতি, পানীয় জল সব কিছুরই ব্যবস্থা হয়েছে। নিকাশি নালাও পাকা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন সমস্যা? ত্রিলোকচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের বাসিন্দা সৌরভ ঘোষ, আনন্দ মণ্ডল জানান, প্রায় ছ’বছরেরও বেশি সময় গ্রামের নিকাশি নালাগুলি সাফাই হয়নি। এক সময়ে ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে এই নালাগুলি সাফাই হত। কিন্তু রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ হওয়ার পর থেকে নালা সাফাইও বন্ধ। তাঁরা বলেন, ‘‘কয়েক মাস আগে পঞ্চায়েতের তরফে এক বার নানা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পঞ্চায়েতের হাতে যে পরিমাণ টাকা আছে তাতে নালাগুলি সাফাইয়ের কাজ করা সম্ভব হবে না।’’

জল-যন্ত্রণায় নাজেহাল কাঁকসা, ত্রিলোকচন্দ্রপুর, আমলাজোড়া, মলানদিঘি পঞ্চায়েত-সহ সাতটি পঞ্চায়েত কম বেশি প্রতিটি গ্রামই। কাঁকসা পঞ্চায়েতের ডাকবাংলো পানাগড় বাজার-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকাতেও সামান্য বৃষ্টিতে বাড়ি থেকে রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়ছে। তার সঙ্গে বাড়ছে মশামাছির উপদ্রব। ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েতের দাবি, বর্তমানে ‘জি রাম জি’ প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজ শুরু হলেও নিকাশি নালা সাফাইয়ের কাজ সেই প্রকল্পে করা যাবে না। এক পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, ‘‘প্রতিটি পঞ্চায়েতের হাতে এই কাজের জন্য আলাদা কোনও টাকা নেই। অথচ প্রতিটি গ্রামের নিকাশি নালা সাফাই করতে গেলে বহু টাকা প্রয়োজন। ফলে কাজ করা যাচ্ছে না।’’

ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, নালা সাফাইয়ের কাজ কী ভাবে করা যায় তা পঞ্চায়েতগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Drain

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy