E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

রাঢ়েশ্বর মন্দির ঘিরে আশা পরিকল্পনায়

মলানদিঘি পঞ্চায়েতের আড়া-রাঢ়েশ্বর শিবমন্দির বর্তমানে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের অধীনে রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৩০
দুর্গাপুরের রাঢ়েশ্বর শিবমন্দির।

দুর্গাপুরের রাঢ়েশ্বর শিবমন্দির। ছবি: ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া।

দুর্গাপুরের রাঢ়েশ্বর শিবমন্দিরকে ঘিরে পর্যটনের পরিকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়েছিলেন দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসন সূত্রে খবর, এর পরে সরকারের তরফে প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়। কাঁকসা ব্লক কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন)-এর কাছে পাঠানো রিপোর্টে প্রকল্পটিকে ‘উন্নয়নের জন্য সম্ভাবনাময়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি, সব কিছু ঠিক থাকলে মন্দির চত্বরে গড়ে উঠবে নতুন পরিকাঠামো।

মলানদিঘি পঞ্চায়েতের আড়া-রাঢ়েশ্বর শিবমন্দির বর্তমানে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের অধীনে রয়েছে। মন্দিরের কাছেই রয়েছে বহু প্রাচীন একটি পুকুর। কথিত আছে, রাজা বল্লাল সেন স্বপ্নাদেশ পেয়ে পুকুর থেকে শিবলিঙ্গ তুলে আড়া শিব মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এলাকাবাসী জানান, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই পুকুরের জল ব্যবহার করা হয়। বছরভর বহু দর্শনার্থী মন্দিরে আসেন।

জানা গিয়েছে প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩.৭০ কোটি টাকা। মন্দির চত্বরের ভিতরে প্রবেশদ্বার, অতিথিশালা, ‘ওয়েলনেস সেন্টার’ ও শৌচাগার কমপ্লেক্স ও ৩০টি স্টল নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়াও, রয়েছে গোটা চত্বরের সীমানা ঘেরা, পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা ও মন্দিরের চারপাশে পেভার ব্লক বসানোর পরিকল্পনাও। মন্দির সংলগ্ন পুকুরটি সংস্কার করে তার পাড় বাঁধানো ও সৌন্দর্যায়নের কাজও করা হবে। মন্দির চত্বরে হাই মাস্ট ও সাধারণ আলোও লাগানো হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৫০ জনের কর্মসংস্থান হবে ও মাসে এক লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিধায়কের কথায়, “এর ফলে মন্দিরে আসা দর্শনার্থীদের সুবিধা হবে। দূর থেকে আসা মানুষজন অতিথিশালায় থাকতেও পারবেন।”

বার্ষিক অধিবেশন

আসানসোল: ‘নিখিল ভারত সাহিত্য সম্মেলন’-এর আসানসোল শাখা ৫২তম বার্ষিক অধিবেশনের আয়োজন করল। সংগঠনের তরফে বিভূতি বিশ্বাস জানান, রবিবার, গুজরাটি ভবনে আয়োজিত এই সম্মেলনে ‘সার্ধশতবর্ষে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়’, ‘শতবর্ষে মহাশ্বেতা দেবী’, ‘তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সাহিত্য’ ও ‘শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় ও আঞ্চলিক সাহিত্য’ নিয়ে আলোচনা করেন আসানসোল বিবি কলেজের শিক্ষক সোমা চক্রবর্তী, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাতি সৌম্যশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, শিক্ষক-সাহিত্যিক তড়িৎ রায় চৌধুরী প্রমুখ। সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় সফলদের পুরস্কৃত করা হয়। সকালে ইসমাইল মোড় লোকনাথ ভবনের সামনে
থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত একটি মিছিলও হয়।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Durgapur

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy