খাদ্যসুরক্ষা দফতরের তরফে মঙ্গলবার কাঁকসার দার্জিলিং মোড় এলাকার বেশ কয়েকটি হোটেলে অভিযান চালানো হয়। হোটেল, রেস্তরাঁর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ বিভিন্ন পানীয় পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। একটি কলার গুদাম থেকে যে রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানো হয় সেটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে খাদ্যসুরক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। নিয়মিত এই অভিযান চলবে বলে জানান দফতরের আধিকারিকেরা।
দিন কয়েক আগেই পানাগড় বাজার এলাকায় কয়েকটি খাবারের দোকান ও রেস্তরাঁয় অভিযান চালানো হয়। এ দিন দুপুরে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা কাঁকসা থানার পুলিশকে নিয়ে দার্জিলিং মোড় এলাকার হোটেল, রেস্তরাঁগুলিতে অভিযানে নামেন। প্রথমে একটি হোটেলে গিয়ে বিভিন্ন খাবারের সরঞ্জাম পরীক্ষা করা হয়। ওই হোটেলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আধিকারিকেরা।
এর পরে আর একটি হোটেলে অভিযানে যান তাঁরা। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে মেয়াদ উত্তীর্ণ কয়েকটি ঠান্ডা পানীয় পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি ফেলে দেওয়া হয়। আর একটি হোটেলে খাবারে ব্যবহৃত হলুদে রাসায়নিক মেশানো রয়েছে বলে আধিকারিকেরা জানান।
দার্জিলিং মোড়ে একটি কলার গুদামেও অভিযান চলে। সেখানে যে রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানো হচ্ছে, তা উৎপাদনের তারিখ বা মেয়াদ শেষের তারিখ মেলেনি বলে অভিযোগ। ওই রাসায়নিকের সিলিন্ডার পরীক্ষা করার জন্য বাজেয়াপ্ত করা হয়।
খাদ্যসুরক্ষা দফতরের আধিকারিক শুভম ঘোষ বলেন, ‘‘কয়েকটি হোটেলকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’’