E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মায়া নদীতে সেতু তৈরির আর্জি

পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান উত্তর ও মন্তেশ্বর বিধানসভার মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে মায়া নদী। এই নদীর এক পাড়ে রয়েছে মন্তেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত মেমারি ২ ব্লকের বিজুর ১ ও অপর পাড়ে রয়েছে বর্ধমান ২ ব্লকের বন্ডুল ২ পঞ্চায়েত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ ০৩:৫০
এমনই হাল সেতুর।

এমনই হাল সেতুর। — নিজস্ব চিত্র।

‘পথশ্রী’ প্রকল্পে নদীর দু’পাশে রাস্তা তৈরি হলেও এখনও নদীর উপরে নতুন সেতু তৈরি হয়নি। বিপদের আশঙ্কা নিয়েই জীর্ণ সেতু পেরোতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। এই কারণে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে মায়া নদীর উপরে নতুন স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আবেদন করলেন মেমারি ২ ব্লকের বরকোনা গ্রাম ও তার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নতুন সেতু গড়ে না ওঠায় দীর্ঘদিন ধরে কয়েক হাজার মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান উত্তর ও মন্তেশ্বর বিধানসভার মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে মায়া নদী। এই নদীর এক পাড়ে রয়েছে মন্তেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত মেমারি ২ ব্লকের বিজুর ১ ও অপর পাড়ে রয়েছে বর্ধমান ২ ব্লকের বন্ডুল ২ পঞ্চায়েত। এলাকাবাসীর দাবি, এই নদীর উপরে ৫০মিটার দৈর্ঘ্যের নতুন সেতু তৈরি হলে দুই এলাকার মধ্যে যোগাযোগ অনেক সহজ হয়ে যাবে। সেতুটি আট নম্বর রাজ্য সড়ক ও ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে সংযোগপথ হিসেবেও ব্যবহৃত হবে বলেও আশা এলাকাবাসীর।

জমা দেওয়া আবেদনপত্রে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতি দিন এই পথ দিয়ে বরকোনা, বসতপুর, কাদরা, কাষ্ঠকুরুম্বা, শিয়ালদহ, কামারকিতা, ফরিদপুর, জগৎপুর, বন্ডুল ও ভাণ্ডারডিহি-সহ একাধিক গ্রামের প্রায় ১২ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ বর্তমান সেতুর রাস্তা বেহাল হয়ে গিয়েছে, সেতুতে তৈরি হয়েছে বিশাল বড় মাপের গর্তও। এর জেরে ব্লক হাসপাতাল, স্টেশন, স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন সরকারি দফতরে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

এলাকাবাসীর দাবি, সেতুর দু’পাশে পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তা তৈরি হলেও সেতু বেহাল হয়ে থাকায় যোগাযোগের উন্নতির সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন না। এই কারণে দ্রুত প্রশাসনের পরিদর্শন হোক এবং রাস্তা নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হোক এমনটাই চাইছেন এলাকাবাসী। তাঁরা জানান, আবেদনপত্রের প্রতিলিপি মন্তেশ্বরের বিধায়ক সৈকত পাঁজা, রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী ও বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদকেও পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্তেশ্বরের বিধায়ক সৈকত পাঁজা।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Memari River

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy