E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সিএএ-র শংসাপত্র পেয়ে তালিকায় নাম

মেমারির লিটন সরকার, শঙ্কর অধিকারীদের নাম তালিকায় নেই। কোনও পূর্বসুরি বা কমিশন নির্ধারিত ১৩টি নথিও জমা করতে পারেননি তাঁরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ ০৯:৫৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রথম দফা প্রকাশের পরেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) শংসাপত্র পেলেন মেমারির বিধানসভার ১৪ জন। সিএএ শংসাপত্র দাখিল করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নামও উঠেছে মেমারির পারিজাতনগরের ছ’জনের। যদিও আবেদনকারীদের একাংশের মতে, নানা ঝক্কি পেরিয়ে তথ্য জমা দিতে হচ্ছে। ঠিক নথির অভাবে অনেকেই সিএএ শংসাপত্র পাবেন কি না, সন্দেহ রয়েছে।

সূত্রের খবর, পূর্ব বর্ধমানে সিএএ শংসাপত্র দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১১ হাজারের মতো। সেখানে আবেদন জমা পড়েছে হাজার দু’য়েক। আর শংসাপত্র পেয়েছেন মেরেকেটে ৪০-৫০ জন। পারিজাতনগরের অঙ্কুর রায়, হিরন্ময় হালদারেরা এনুমারেশন ফর্মের সঙ্গে সিএএ শংসাপত্র জমা দিয়েছিলেন। প্রথম দফার তালিকাতেই নাম রয়েছে তাঁদের। বুধবার স্নাতকোত্তর পড়ুয়া অঙ্কুর বলেন, “আমার পূর্বসূরি কেউ এখানে থাকেন না। একাই থাকি। আমার পরিচিত ছ’জনেরই সিএএ শংসাপত্র দিয়ে নাম উঠেছে।’’

মেমারির লিটন সরকার, শঙ্কর অধিকারীদের নাম তালিকায় নেই। কোনও পূর্বসুরি বা কমিশন নির্ধারিত ১৩টি নথিও জমা করতে পারেননি তাঁরা। ফলে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হতে পারে এমন ভয় ছিল। সিএএ শংসাপত্র পেয়ে তাঁরা বলেন, ‘‘এ বার আর কেউ আমাদের তাড়িয়ে দিতে পারবে না। উদ্বাস্তুও বলতে পারবে না। ছ’নম্বর ফর্ম পূরণ করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করব।” বিচারাধীন সুপর্ণ রায়, বিকাশ শিকারিরাও বূলেন, ‘‘সিএএ শংসাপত্র জমা দেব। ঠিক নাম উঠে যাবে। আর ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে না।”

তবে এখনও বহু আবেদনের শুনানি হয়নি বলে বিজেপির একাংশেরই ক্ষোভ রয়েছে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা জানান, আবেদন করার অনেক দিন পরে বর্ধমানের ডাকঘর বিভাগ থেকে শুনানির ডাক আসছে। সেখানে যে নথি চাওয়া হচ্ছে, তা বাংলাদেশ থেকে এক কাপড়ে চলে আসা লোকেদের কাছে থাকা সম্ভব নয়। বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার উদ্বাস্তু সংগঠনের নেতা অরুণ বিশ্বাস বলেন, “স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে বাসস্থান শংসাপত্র নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলি তা দিতে চাইছে না।’’

বিজেপির মুখপাত্র দীপ্তাস্য যশের দাবি, “তৃণমূলের মিথ্যা ফানুস ফাটছে। ভয় কাটিয়ে মানুষ শুনানিতে যাচ্ছেন। আবেদন বাড়ছে। ঠিক নথি জমা পড়লে ১৫ দিনেও সিএএ শংসাপত্র মিলতে পারে।”

তৃণমূলের মেমারি ১ ব্লক সভাপতি নিত্যানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, “ওই শংসাপত্র দেওয়ার আগে কোনও সংস্থা তদন্ত করছে না কি আবেদন করলেই পাওয়া যাচ্ছে? ভোটে এর কোনও প্রভাব পড়বে না।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
CAA West Bengal SIR

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy