E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মন্তেশ্বরে দলের কমিটি নিয়ে ক্ষোভ সিদ্দিকুল্লার

তৃণমূল সূত্রের খবর, নতুন তালিকায় মন্তেশ্বরে ব্লক কমিটি ও অঞ্চলের নেতৃত্বে দায়িত্ব পেয়েছেন মূলত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আহমেদ হোসেন শেখের ঘনিষ্ঠেরা।

সুদিন মণ্ডল

শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৯
সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। —ফাইল চিত্র।

জেলার বিভিন্ন ব্লক কমিটি এবং অঞ্চল সভাপতিদের নাম বৃহস্পতিবারই ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বৃহস্পতিবার দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এই ঘোষণা হয়। তার পরেই নিজের বিধানসভা এলাকার কমিটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্তেশ্বরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তাঁর দাবি, মন্তেশ্বরে যে ব্লক কমিটি ও অঞ্চল সভাপতি নির্বাচন হয়েছে, তাতে বিরোধীদের হাত শক্ত হবে। এই সিদ্ধান্ত দলের নেতৃত্বের অদূরদর্শিতা প্রমাণ করে। জেলা সভাপতির পাল্টা দাবি, বিধায়কের তরফে কোনও তালিকা জমা পড়েনি। তাই ওই বিধানসভা থেকে যে তালিকা জমা পড়েছিল, তার মধ্যে থেকেই নির্বাচন করা হয়েছে।

মন্তেশ্বর বিধানসভার মধ্যে মন্তেশ্বর ব্লকের পাশাপাশি মেমারি ২ ব্লকের সাতটি অঞ্চল রয়েছে। তৃণমূল সূত্রের খবর, নতুন তালিকায় মন্তেশ্বরে ব্লক কমিটি ও অঞ্চলের নেতৃত্বে দায়িত্ব পেয়েছেন মূলত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আহমেদ হোসেন শেখের ঘনিষ্ঠেরা। মেমারি ২ ব্লকে যেখানে এত দিন সিদ্দিকুল্লার অনুগামী বলে পরিচিতেরা দায়িত্বে ছিলেন, সেখানেও নতুন মুখ আনো হয়েছে। মেমারি ২ ব্লক সভাপতি হরিসাধন ঘোষকে এক সময়ে বিধায়কের ঘনিষ্ঠ বলেই দলীয় রাজনীতিতে পরিচিত ছিলেন না। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে তাঁকে সিদ্দিকুল্লার বিরোধী গোষ্ঠী বলে আহমেদের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে বলে তৃণমূলের নানা সূত্রের দাবি। এরই মধ্যে ব্লক কমিটি ও অঞ্চল সভাপতি ঘোষণায় দলে তাঁর বিরোধী শিবিরের লোক বলে পরিচিতদের আধিপত্যে ক্ষুব্ধ সিদ্দিকুল্লা।

সিদ্দিকুল্লার দাবি, ‘‘মন্তেশ্বর বিধানসভায় কমিটিতে এমন অনেককে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে, যাতে জেলা নেতৃত্বের অদূরদর্শিতাই প্রমাণ হয়। গত বিধানসভা, পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা পরিশ্রম করে দলকে বড় ব্যবধানে জেতায় সাহায্য করলেন, তাঁদেরই উপেক্ষা করা হয়েছে।’’ তাঁর অভিযোগ, ‘‘নতুন যারা দায়িত্ব পেয়েছে, তাদের অনেকেই ঠ্যাঙাড়ে বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে তারা দলীয় কর্মীদের ভয় দেখাচ্ছে এবং কার্যালয় দখলের হুমকি দিচ্ছে। এরা বিজেপির হাত শক্ত করতে চায়।’’ এর ফলে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাবে দাবি করে সিদ্দিকুল্লা জানান, তিনি বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্বকে জানাবেন।

আহমেদ হোসেনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি। জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মন্ত্রীর তরফে কোনও তালিকা আমার কাছে আসেনি। তাই যে তালিকা জমা পড়েছিল, তার ভিত্তিতে কমিটি গড়া হয়েছে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Manteshwar

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy