E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

স্কুলে পাশ-ফেল ফেরানোর ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত এক মহিলার রামনগরের বাড়িতে এ দিন আসেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৪৩
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। —ফাইল চিত্র।

রাজ্যে সরকারি স্কুলে পাশ-ফেল ফেরানোর পক্ষে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে তিনি বলেন, ‘‘স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ করা এবং পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা দরকার। ব্রতচারী, এনএসএস, এনসিসি প্রতি স্কুলে ফিরিয়ে আনা দরকার।’’

চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত এক মহিলার রামনগরের বাড়িতে এ দিন আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পরে এ দিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষানীতির সমালোচনা ও পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘‘এনসিসি তুলে ‘জয় হিন্দ বাহিনী’ চালু করেছিলেন মমতা। ব্রতচারী বন্ধ করেছেন। সিঙ্গুর থেকে টাটা-কে যারা তাড়িয়েছেন, তাদের কথা ছোটদের সিলেবাসে রয়েছে। পরের শিক্ষাবর্ষে অনেক কিছু পরিবর্তন দেখতে পাবেন।’’ প্রতি বছর অন্তত তিন দিনবিতর্ক, ক্যুইজ় প্রতিযোগিতা করা উচিত বলেও মত তাঁর। তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার, খঞ্জনির চর্চাও প্রত্যেক স্কুলে হওয়া উচিত, জানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন আরএসএস-নিয়ন্ত্রিত শিক্ষক সংগঠন অখিল ভারতীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সভাপতি অমিতাভ মণ্ডল। এসইউসি-র রাজ্য সম্পাদক চণ্ডীদাস ভট্টাচার্যও বলেন, “আমরা সাড়ে চার দশক ধরে প্রথম শ্রেণি থেকে পাশ-ফেল চালুর দাবি করছি।’’ আবার বামপন্থী ‘নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সংগঠন’-এর জেলা সম্পাদক রানা ভট্টাচার্যের মতে, ‘‘পাশ-ফেল ফিরিয়ে আনা হলে, অনেক ছেলেমেয়ে ভয়ে পড়াশোনার আঙিনা থেকে দূরে সরে যাবে।’’

এ দিন দিল্লির ছাত্র আন্দোলনের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “আরশোলা, দিমাগি নকশালদের মোকাবিলা করতে ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী তৈরি করতে হবে।” সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর পাল্টা বক্তব্য, “ছাত্রদের মধ্যে আরশোলা, ছারপোকা খুঁজলে বুঝতে হবে, উনি ভয় পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী হয়তো ভাবছেন, এই সব বলে মোদী-শাহের ঘনিষ্ঠ হওয়া যাবে।’’ মমতা-তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষের মন্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রী যদি সব সময় হুমকি দেন, তা হলে মুশকিল। ওঁরা আসলে চাইছেন, নতুন প্রজন্মকে ওঁদের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করতে। কিন্তু নতুন প্রজন্ম আরও জানতে, সচেতন হতে চান। সেখানেই বিজেপিরসঙ্গে সংঘাত।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Suvendu Adhikari Ramnagar

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy