হিন্দুদের যে কোনও ধর্মীয় উৎসব, মেলা বা পুজো প্রাঙ্গণে ‘বিধর্মীদের প্রবেশ কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ’। নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করলে, দেওয়া হবে ‘চরম ও উপযুক্ত জবাব’। সমাজমাধ্যমে বজরং দলের বাঁকুড়া নগর কমিটির পেজে শুক্রবার বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের বাঁকুড়া নগর কমিটির নাম করে এমন ‘সরাসরি ও চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি’ দেওয়া হলেও, বিতর্কের মুখে শনিবার তা সরানো হয়।
যদিও বজরং দলের বাঁকুড়া নগর কমিটি নেতৃত্ব ওই মন্তব্যের দায় এড়িয়েছেন। সংগঠনের শহর নেতৃত্বের দাবি, “সংগঠনের অনেকে সমাজমাধ্যমের ওই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন। কে ওই মন্তব্য করেছেন, চিহ্নিত করা যায়নি। বিষয়টি নজরে আসতেই তা মুছে ফেলা হয়েছে।” বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি রমেশ মুরারকা বলেন, “পোস্টে যা লেখা হয়েছে, ওই ধরনের মন্তব্য আমরা সমর্থন করি না। সংগঠনের এমন নির্দেশও নেই। তার পরেও কেন ওই বার্তায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নাম জড়ানো হল, প্রশ্ন তুলব।”
সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য অভয় মুখোপাধ্যায়ের দাবি, “সম্প্রীতি আমাদের গর্ব। অথচ, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্যে বিভেদের বিষ বেশি ছড়াচ্ছে।” যদিও সমাজমাধ্যমে ওই বার্তার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই দাবি করেছেন বিজেপির বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিভাজনের রাজনীতির মূল কারিগর সিপিএম। ওদের মুখে এ সব মানায় না।”