E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

দুই তৃণমূলকে এ বার একসঙ্গে ডাকল কমিশন

রাজ্যে দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ব্যবহারে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কমিশন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:৫৭
(বাঁ দিকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ে (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ে (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

কলকাতার পুরভোটের আগেই দলের স্বত্ব ও প্রতীক সংক্রান্ত বিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরকে একত্রে শুনানির জন্য ডেকে পাঠাল নির্বাচন কমিশন।

রাজ্যে দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ব্যবহারে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কমিশন। মমতা-তৃণমূল ও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নামে আপাতত চলছে সাবেক তৃণমূলের দুই শিবির। আপাতত তাদের প্রতীক যথাক্রমে ফুটবল খেলোয়াড় ও খাম। সূত্রের খবর, কলকাতার আসন্ন পুরভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই তৃণমূলকে আগামী ২৬ অক্টোবরের মধ্যে তাদের দাবির পক্ষে যাবতীয় তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। তার পরে ৩০ অক্টোবর বিকেল সাড়ে তিনটেয় দিল্লির নির্বাচন সদনে হবে শুনানি। দু’পক্ষকে এর আগে পৃথক শুনানির জন্য সময় দিয়েছিল কমিশন। এ বার দু’পক্ষকে একসঙ্গে নিয়েই শুনানি হবে। তৃণমূলে ভাঙনের পরে দু’পক্ষ এখনও কোনও মঞ্চে মুখোমুখি হয়নি! আগে শুনানির জন্য দু’পক্ষকে পৃথক নোটিস দিত কমিশন। এ বার মমতা ও ঋতব্রতের নাম একসঙ্গে রেখে একই নোটিস দুই তৃণমূলকে পাঠানো হয়েছে।

কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত বিবাদের নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিম কোর্ট গত ২৮ সেপ্টেম্বর চার সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সর্বোচ্চ আদালতের সেই নির্দেশ মোতাবেক পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

তবে এরই মধ্যে দল ‘ভাঙতে’ রাজ্যের পুলিশ ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল বিধায়কদের সাহায্য করছে বলে অভিযোগ তুলেছে কালীঘাট। মমতা-তৃণমূলের তরফে বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ প্রথমে সামনে এনেছেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ। পরে দলের তরফে বলা হয়েছে, পুলিশ সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট এ কাজ পুলিশের হতে পারে না। গণতান্ত্রিক তৃণমূলের নেতা ঋতব্রত অবশ্য বলেছেনন, ‘‘পাগলের প্রলাপের জবাব হয় না!’’

দল এবং প্রতীক নিয়ে টানাটানির জেরে দু’পক্ষের আইনি লড়াইয়ে গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে হলফনামা তৈরিতে পুলিশ সাহায্য করছে বলে অভিযোগ করে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের দুই প্রধানকে চিঠি দিয়েছেন মমতা-তৃণমূলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দোলা সেন। চিঠিতে দোলা বলেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট দুই পক্ষকেই হলফনামা জমা দিতে বলেছে। ঋতব্রতদের প্রয়োজনীয় ১১০০ হলফনামার স্বাক্ষর সংগ্রহের জন্য রাজ্যের থানার ওসি এবং আইসি-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটা গণতন্ত্র নিয়ে রসিকতা ছাড়া কিছু নয়’! ঋতব্রতের পাল্টা বক্তব্য, ‘‘অসংলগ্ন কথা। তবে যাঁরা এমন অভিযোগ করছেন, দায়িত্ব নিতে হবে তাঁদেরই। আমরা আইনের কাছে যাব। যা বলছেন, তা নিশ্চয়ই তাঁরা প্রমাণ করবেন।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Mamata Banerjee Ritabrata Banerjee TMC

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy