Advertisement
E-Paper

পুজোয় মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি, ‘না’ বলায় কারখানার মালিককে বেধড়ক মার হাওড়ায়! পুলিশের হাতে আটক ২

প্রহৃত ব্যবসায়ীর ভাই বিজেপির নেতা। পল্লব ছড়ি নামে ওই যুবক বলেন, ‘‘আমার দাদা ব্যবসায়ী। ও রাজনীতি করে না। দাদাকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সন্দীপ মালের নেতৃত্বে ক্লাবের ছেলেরা ঘিরে ধরে মারধর করেছে।’’

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:০০
Howrah Factory Owner Beaten

জখম কারখানার মালিক। —নিজস্ব চিত্র।

দুর্গাপুজোয় দাবিমতো চাঁদা না দেওয়ায় কারখানার মালিককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ হাওড়ার জগাছায়। জখম অবস্থায় কারখানার মালিককে হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। মারধরে জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।

হাওড়ার জগাছা থানার মধ্যে রয়েছে ইছাপুর শিল্পাঞ্চল। সেখানে পলাশ ছড়ি নামে এক ব্যক্তির কারখানা রয়েছে। কারখানার অনতিদূরে কামারডাঙা এলাকায় দুর্গাপুজো করছে এপিজে ক্লাব। অভিযোগ, পুজো করার জন্য চাঁদার নামে জুলুমবাজি করছেন ক্লাবের সদস্যেরা। মোটা অঙ্কের চাঁদা চাওয়া হয় কয়েক জনের কাছে। বুধবার দুপুর ১২টা নাগাদ ওই ক্লাবের বেশ কয়েকজন সদস্য ‘বহিরাগতদের’ সঙ্গে নিয়ে তাঁকে আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ কারখানা মালিক পলাশের। তাঁর দাবি, ‘‘শিবপুরের বিজেপি-২ নম্বর মণ্ডল সভাপতি এবং ক্লাবের সম্পাদক সন্দীপ মাল ওরফে রাজা মালের নেতৃত্বে কারখানায় হামলা চালানো হয়। ওদের দাবি মতো চাঁদা না দেওয়ায় মেরে মাথা-মুখ ফাটিয়ে দেয় আমার।’’

আহত ব্যবসায়ীর ভাই-ও বিজেপির নেতা। তিনি শিবপুর কেন্দ্রের বিজেপির তিন নম্বর মণ্ডলের সভাপতি। পল্লব ছড়ি নামে ওই যুবক বলেন, ‘‘আমার দাদা ব্যবসায়ী। ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। দাদাকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সন্দীপ মালের নেতৃত্বে ক্লাবের ছেলেরা সশস্ত্র অবস্থায় ঘিরে ধরে মারধর করেছে। আমার দাদা গুরুতর আহত হয়েছে। ওকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। আমরা চাই, পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক।’’

ওই এলাকার বাসিন্দা সুভাষ পালেরও অভিযোগ, চাঁদা নিয়ে জুলুমবাজি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘এই ঘটনায় (মারধর) পুজোর মুখে সকলে আতঙ্কিত। ইদানীং ক্লাবে বহিরাগতদের আনাগোনা বেড়েছে। জগাছা থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আমরা চাই, অভিযুক্তেরা শাস্তি পাক।’’

মূলত যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই সন্দীপ মাল জুলুমের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জোর গলায় বলেন, ‘‘এপিজে ক্লাব জুলুমবাজি করে চাঁদা তোলে না। ক্লাবের সদস্যেরা এবং পাড়ার লোকজন নিজেরা চাঁদা দিয়ে যান। যে কেউ অভিযোগ করতে পারে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।’’ জগাছা থানার পুলিশ জানিয়েছে, দু’জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মূলত মারধরের অভিযোগ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Howrah beaten Police case BJP Durga Puja

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy