Advertisement
E-Paper

শ্রীরামপুরে যুবতীর পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দিলেন যুবক, মারধরের পর অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয়েরা

রিষড়ার চম্পা রোড এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত ওই যুবক পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, তাঁরা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দু’জনে সেখানে বসে গল্প করছিলেন। তখনই এই ঘটনা ঘটে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৩৮
যুবতীর নাম প্রিয়াঙ্কা পাঠক। যুবকের নাম শাহবাজ় কুরেশি।

যুবতীর নাম প্রিয়াঙ্কা পাঠক। যুবকের নাম শাহবাজ় কুরেশি। —নিজস্ব চিত্র।

শ্রীরামপুরের আরএমএস মাঠে রক্তারক্তি কাণ্ড! এক যুবতীর পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দিলেন তাঁরই সঙ্গী যুবক। রিষড়ার চম্পা রোড এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত ওই যুবক পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, তাঁরা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দু’জনে সেখানে বসে গল্প করছিলেন। তখনই এই ঘটনা ঘটে। যুবতীর নাম প্রিয়াঙ্কা পাঠক। যুবকের নাম শাহবাজ় কুরেশি।

শ্রীরামপুর স্টেশন সংলগ্ন আরএমএস মাঠ গান্ধী ময়দান নামেও পরিচিত। মাঠের দু’পাশে গ্যালারি করা আছে। সেই গ্যালারিতে যুবক-যুবতী, ছাত্র-ছাত্রীরা এসে বসেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বেশ কয়েকটি যুগল সেখানে বসেছিলেন। হঠাৎই এক যুবতী চিৎকার শুরু করেন। স্থানীয়েরা ছুটে গিয়ে দেখেন রক্তারক্তি কাণ্ড। যুবতীর পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘‘উপর থেকে দেখলাম এক যুবতীকে মারধর করছেন এক যুবক। আমরা উপস্থিত ক’জন ছুটে যাই। দেখি, ততক্ষণে চুল কাটার একটি কাঁচি যুবতীর পেটে ঢুকিয়ে দিয়েছেন তিনি। হাতেও আঘাত করেছেন। তাঁকে ধরে রেখে যুবতীকে উদ্ধার করি আমরা। যুবক সম্ভবত নেশাগ্রস্ত ছিলেন।’’

সূত্রের খবর, ওই যুবতীকে তড়িঘড়ি শ্রীরামপুর ওয়াল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযুক্তকে মারধর করেন স্থানীয়েরা। তার পর পুলিশ ডাকা হয়। শ্রীরামপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (শ্রীরামপুর) অর্ণব বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুলিশের তরফে গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুবতীর অবস্থা স্বাভাবিক হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

কাছেই একটি বাজার এলাকা। সেখানকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, প্রায়ই ওই মাঠে এ ধরনের ঘটনা ঘটে। তাঁদের দাবি, এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত। স্থানীয় বাসিন্দা সমীর সাহা বলেন, ‘‘গত ১০ বছর ধরে এলাকার মানুষ পুরসভাকে বিষয়টি জানাচ্ছেন। মাঠের পাশে যে তিন ধাপের গ্যালারি রয়েছে সেটা খেলা দেখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু মাঠে তো খেলা হয় না। তাই এই গ্যালারি ভেঙে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এখানে রীতিমতো নেশার ঠেক চলে। অসামাজিক কাজকর্ম হয়। অশালীন অবস্থায় বসে থাকেন যুগলেরা। এটা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। বয়স্ক মানুষেরা এই জন্য এখানে আসতে পারেন না। পুলিশ ও স্থানীয় পুরসভা বিষয়টি দেখুক, এটাই আমরা চাই।’’

Assault Serampore

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy