তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে মমতাপন্থী নেতা-কর্মীদের বেধড়কের মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচ জন। মাথা ফাটে এলাকার বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা দুখিরাম দাসের। হুগলির সিঙ্গুরের ঘটনা। বিজেপি অবশ্য হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের সাফাই, পুরোটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।
সিঙ্গুর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ দুখিরাম দাসের দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় দলীয় বৈঠক শেষে সিঙ্গুর ব্লক তৃণমূল অফিসে তিনি এবং আরও কয়েক জন বসে কথাবার্তা বলছিলেন। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি-র উত্তরীয় পরে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে দিতে তাঁদের পার্টি অফিসে ঢুকে পড়েন। দুখিরামের কথায়, ‘‘অফিসে ঢুকে বেচারাম মান্নার (প্রাক্তন মন্ত্রী) খোঁজ করেন ওঁরা। বেচারামবাবু অফিসে আসেন না বলাতেই তাঁরা আচমকা আমাদের মারধর শুরু করেন।’’ প্রবীণ নেতার দাবি, কিল-চড়, লাথি-ঘুষি— কিছুই বাদ যায়নি। তার পর দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুর চলে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের কমবেশি সকলেই আহত হয়েছেন। আমারও মাথা ফেটেছে।’’
আরও পড়ুন:
হামলার কথা অস্বীকার করেছে শাসকদল। বিজেপির কিসান মোর্চার জেলা সভাপতি সঞ্জয় পাণ্ডের দাবি, ‘‘ভারতীয় জনতা পার্টি অগণতান্ত্রিক ভাবে কোনও কিছু করে না। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সবার রাজনীতি করার অধিকার আছে। তৃণমূল তাদের দলীয় কার্যালয়ে বসে বৈঠক করছে। সেখানে কেন বিজেপির লোকেরা হামলা করতে যাবে!’’ তিনি দাবি করেন, মমতাপন্থীদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে ওই ঘটনা ঘটেছে। হামলার সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক নেই।
পুলিশ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। লিখিত অভিযোগ হলে পদক্ষেপ করা হবে।