E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কলকাতার কড়চা: বিরল চলচ্চিত্র-অভিজ্ঞতা

নন্দন ৩-এই আসছে ‘লুসোফোন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’, পর্তুগিজ ভাষাভাষী বিশ্বের ছয় দেশের সিনেমা।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ ০৭:৩২

ছবি তৈরিরও ঢের আগে, চলচ্চিত্র-চর্চার লক্ষ্যে সমমনস্ক বন্ধুদের সঙ্গে মিলে সত্যজিৎ রায় (ছবিতে, মৃণাল সেনের সঙ্গে) গড়েছিলেন‘ক্যালকাটা ফিল্ম সোসাইটি’। স্বাধীনতা-উত্তর কলকাতায়, বঙ্গে ও ভারতে ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলনের প্রসার ভারতীয় ও বিশ্ব চলচ্চিত্রের মননশীল চর্চার প্রবাহ তৈরি করে দিয়েছিল। আজকের প্রযুক্তিতাড়িত সময়ে ছবি দেখার হরেক তরিকা হাতের কাছে তৈরি বটে, কিন্তু চলচ্চিত্ররুচি নির্মাণে ফিল্ম সোসাইটিগুলির ভূমিকাও স্মরণীয়। এই ধারাতেই, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ় অব ইন্ডিয়া (এফএফএসআই)-এর পূর্বাঞ্চল শাখার উদ্যোগে আগামী ২৭ জুলাই বিকেল ৪টায় নন্দন ৩-এ ‘ভারতে ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলনের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ নিয়ে আলোচনা, চলচ্চিত্র-ব্যক্তিত্ব ও চিন্তকদের অংশগ্রহণে। ‘সিনে গিল্ড বালি’র উদ্যোগে গ্রন্থিত শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা ও প্রবন্ধ-সংগ্রহ যে মানবজমিনে আমাদের থিয়েটার-সিনেমার চাষ-আবাদ বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ হবে, আর সন্ধে ৬টায় এফএফএসআই প্রযোজিত, অশোক রানে পরিচালিত তথ্যচিত্র সেভেন্টি ফাইভ ইয়ারস অব ফিল্ম সোসাইটি মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া-র প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রদর্শন।

নন্দন ৩-এই আসছে ‘লুসোফোন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’, পর্তুগিজ ভাষাভাষী বিশ্বের ছয় দেশের সিনেমা। সিনে সেন্ট্রাল কলকাতা ও দিল্লির পর্তুগাল দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে ২৮-৩০ জুলাই, রোজ বিকেল ৫টা থেকে। মোট ছয়টি ছবি: অ্যাঙ্গোলার দ্য কিচেন, মোজ়াম্বিকের দ্য নাইটস স্টিল স্মেল অব গানপাউডার, তিমোর-লেস্তের দ্য ফ্লাইট অব দ্য ক্রোকোডাইল, পর্তুগালের হোয়াট ওয়ার্ডস ক্যান ডু, ব্রাজিলের দ্য ফার্স্ট উইমেন, কেপ ভার্দের অরল্যান্ডো পান্তেরা। পর্তুগিজ ভাষাভাষী বিশ্বের সমাজ-সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সমকালীন বাস্তবতার আয়না এই ছবিগুলি, কলকাতার দর্শকদের কাছে নিঃসন্দেহে এক বিরল সিনেমা-অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে।

কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আর্টস, লিটারেচার অ্যান্ড কালচার (কিফাল্‌ক)-এর উদ্যোগে আজ ও কাল, ২৫-২৬ জুলাই, রাজা বসন্ত রায় রোডে তাদের ঠিকানায় দ্বিতীয় বছরের তথ্যচিত্র উৎসব, ইন্দ্রনীল সরকারের কিউরেশনে। দুপুর ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা— থাকবেন তথ্যচিত্র নির্মাতা, শিল্পী, ছাত্রছাত্রী ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। ছবি-নির্মাতাদের সঙ্গে কথালাপের পরিসর এই সময়ে জরুরি খুব— গল্প বলার শিল্প, সমকালীন সমাজবাস্তবতা থেকে উঠে আসা প্রশ্ন ঘিরে হবে ভাবনার বিনিময়।

গ্যেটে-ইনস্টিটিউট কলকাতার ‘কুনস্ট কিয়স্ক’-এ শুরু হচ্ছে প্রদর্শনী ‘কনস্টেলেশনস অব নেচার অ্যান্ড হিস্ট্রি’, জার্মান চলচ্চিত্রকার লেখক ও দার্শনিক আলেকজান্ডার ক্লুগে-র সাম্প্রতিক কাজের পরিচয়। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে সাহিত্য, সিনেমা, টিভি, আর্কাইভ মিলিয়ে স্বতন্ত্র শিল্পভাষা গড়ে তুলেছেন ক্লুগে: ইতিহাস নথি স্মৃতি মিলেমিশে। প্রদর্শনীতে তাঁর সাম্প্রতিক প্রকাশনা ‘ফ্রম দ্য বাউহাউস অব নেচার’ এবং স্যান্ড অ্যান্ড টাইম’ থেকে বাছাই ৮টি ছবি দেখানো হবে। ইতিহাসের স্তরে স্তরে জমে থাকা যুদ্ধ, অভিবাসন, রাজনীতি ও সমষ্টিস্মৃতির অনুসন্ধান ছবিগুলি। প্রদর্শনী চলবে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত।

সারস্বত

ভারতে গ্রন্থের ইতিহাস ও মুদ্রণের সংস্কৃতি-চর্চার পথিকৃৎ স্বপন চক্রবর্তী (ছবি)। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাক্তন গবেষক লেখালিখি করেছেন নিয়মিত, সম্পাদনাও। প্রেসিডেন্সি কলেজের ছাত্র, যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবৎসল শিক্ষক; পাণ্ডিত্য ও প্রজ্ঞার পাশে তাঁর কৌতুকপ্রিয় স্বভাবও পরিচিতমহলে ভাস্বর। পুরনো বই, দুষ্প্রাপ্য নথি ছিল গবেষণার উপাদান, এ ধরনের আকর সংরক্ষণে দীর্ঘ সময় দিয়েছেন। দক্ষতার পরিচয় রেখেছেন জাতীয় গ্রন্থাগারের অধিকর্তা ও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের কিউরেটর রূপে। জাতীয় গ্রন্থাগারের সংরক্ষণ বিভাগের নবীকরণ ও ন্যাশনাল ডিজিটাল লাইব্রেরি প্রকল্পে ছিলেন পুরোধা। প্রয়াত ২০২১-এ, তাঁর দ্বিসপ্ততিতম জন্মদিনে আগামী ২৯ জুলাই দুপুর ৩টেয় প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ সভাঘরে হবে দ্বিতীয় বর্ষের ‘স্বপন চক্রবর্তী স্মারক বক্তৃতা’। অধ্যাপক মৈনাক বিশ্বাস বলবেন— কয়েক জন ভারতীয় শিল্পীর ছবি ও লেখায় উপস্থাপনা-ভাবনা নিয়ে।

প্রতিষ্ঠাদিবসে

দিনটা ছিল ৮ শ্রাবণ, আর প্রতিষ্ঠানের নাম ‘বেঙ্গল অ্যাকাডেমি অব লিটারেচার’। পরে ইংরেজি নাম পাল্টে রাখা হয় ‘বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ’। বঙ্গভাষা-সাহিত্যই নয় শুধু, পরিষদের চর্চায় বিশেষ গুরুত্ব বঙ্গের ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক সমাজতাত্ত্বিক এষণারও; বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনার চর্চাধারা পুষ্ট করেছে এই প্রতিষ্ঠান। তার গ্রন্থাগার লক্ষাধিক ব‌ই-পত্রিকায় সমৃদ্ধ, প্রদর্শশালা শহরের গর্বের স্থান। ১৩৪তম প্রতিষ্ঠাদিবসের অনুষ্ঠান পরিষৎ-সভাকক্ষে (রমেশ ভবন) আজ দুপুর ৩টে থেকে। প্রতিষ্ঠাদিবসের ভাষণে ‘আগামী বিশ্বের খাদ্যসঙ্কট’ নিয়ে বলবেন সুব্রত গুপ্ত; শান্তিরঞ্জন দেব বিজন ঘোষাল পার্থ চট্টোপাধ্যায় হিন্দোল ভট্টাচার্য সুবিমল মিশ্র ভূষিত হবেন সম্মাননায়।

দশক পেরিয়ে

২০১৬-য় তাদের প্রথম প্রযোজনা কোজাগরী আলোড়ন ফেলেছিল বাংলা থিয়েটারে, পথ দেখিয়েছিল কথা বলার পথের। যে সমাজে আমাদের বসবাস, তার নানা ওঠাপড়া যেন থিয়েটারে মূর্ত হয়ে ওঠে, এ-ই ছিল ভাবনা। দশ পেরিয়ে এগারোয় পা রাখল ‘বেলঘরিয়া অভিমুখ’। নাট্যদল যেন স্রেফ নাটক তৈরির কারখানা না হয়, বরং কারখানার মানুষের শ্রমের সংস্কৃতি যেন থিয়েটারে ধরতে পারা যায়— সে কথা মাথায় রেখেই এক দশকের পথ পেরিয়েছে তারা। তাদের নবতম প্রযোজনা সূর্যায়ণ-এও সেই পথেরই কথা: কৃষিতে বিষ মেশানোর যে প্রাতিষ্ঠানিক চক্রান্ত, তার বিরুদ্ধে মানবিক বার্তা। তীর্থঙ্কর চন্দের রচনা, নির্দেশনা অশোক মজুমদারের। আগামী ২৭ জুলাই সোমবার সন্ধে সাড়ে ৬টায় দলের একাদশ জন্মদিনে অভিনয় অ্যাকাডেমি মঞ্চে।

শ্রাবণগান

বর্ষা রবীন্দ্রনাথের প্রিয়তম ঋতু। ঋতুকালীন প্রেমসঙ্গীত ধরলে গীতবিতান-এ প্রকৃতি পর্যায়ে বর্ষার গানই সংখ্যায় বেশি। বর্ষার আবহে শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতা, একগুচ্ছ অনুষ্ঠানের আয়োজন। তারই একটি ‘শ্রাবণ হয়ে এলে ফিরে’, টেগোর সোসাইটি কলকাতা ও দেবব্রত বিশ্বাস স্মরণ কমিটির আয়োজনে আজ বিকেল ৫টা থেকে শিশির মঞ্চে। শবনম মেঘালী প্রীতম চক্রবর্তী উৎসব দাসের মতো নবীন শিল্পীদের সঙ্গে মঞ্চে অপালা বসু(সেন) শ্রীনন্দা মুখোপাধ্যায় সৈকত মিত্র অচিন মুখোপাধ্যায়ের মতো অগ্রজরাও। অন্য দিকে, রূপ-ভানু মিউজ়িক ও পূর্বাঞ্চল সংস্কৃতি কেন্দ্রের যৌথ নিবেদন ‘ভরা শ্রাবণের দরিয়ায়’, রবিবার বিকেল ৫.১৫-য় সল্টলেক ঐকতান প্রেক্ষাগৃহে। পীতম সেনগুপ্তের গ্রন্থনা ও ভাবনা, বিশ্বরূপ গোস্বামী-দেবলীনা ভট্টাচার্যের গান।

হাতে বোনা

বাংলার বস্ত্রশিল্প ও শিল্পীর গৌরবগাথা লেখা আছে সাহিত্যে। ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা, আরও নানা কারণে সেই ঐতিহ্যে ঘুণ ধরেছিল। সেই যাত্রাপথ ফিরে দেখবেন গবেষক কারিগর উদ্যোগপতিরা: কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি (কেসিসি)-র উদ্যোগে আগামী ৩১ জুলাই, ‘গ্যাদারিং থ্রেডস’ অনুষ্ঠানে। আর্কাইভাল গবেষণা ও আধুনিক নকশার জুটিতে হস্তচালিত তাঁতের নবদিগন্ত, ধ্রুপদী বুননকে বাজারে প্রাসঙ্গিক করার হদিস, শান্তিনিকেতনি বাটিকের ইতিহাস— বিশেষজ্ঞ আলোচকদের উপস্থাপনায়। থাকবে গৌরাঙ্গ শাহের পরিবেশনা ‘রিদম অব দ্য লুম’: নাচ গান ভাষ্যে হাতে বোনা কাপড়ের রূপকথা; তাঁর সংগ্রহের ১০০টি দুষ্প্রাপ্য ও ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রের নিদর্শন নিয়ে প্রদর্শনী ‘থ্রেডস বিকাম আ স্টোরি’, চলবে ১ অগস্ট পর্যন্ত।

স্পন্দিত

তীব্র মৌলিক রং, গতিময় তুলি, অদম্য প্রাণশক্তি: একাকার। বাতাসে নুয়ে পড়া গাছ, সবুজের মধ্যে একগুচ্ছ বেগুনি-কমলা ফুল, দিগন্তবিস্তৃত মাঠের শেষে আকাশের আলিঙ্গন, জীবন উদ্‌যাপনের এ-সব ছবিতেও কোথাও যেন মিশে অন্তর্মুখী যন্ত্রণা, চিত্রশিল্পী গোপাল ঘোষের (১৯১৩–১৯৮০) ছবির প্রাণস্পন্দন। জয়পুরে শিল্পশিক্ষা শেষে চেন্নাইয়ে দেবীপ্রসাদ রায়চৌধুরীর তালিম পান, মূলত নিসর্গচিত্রের জন্য পরিচিত হলেও তাঁর শিল্পচর্চা নির্দিষ্ট ধারায় বাঁধা ছিল না। তাঁর ছবিতে আলো উঠে আসে অন্ধকারের উৎস থেকে, প্রকৃতি ও মানুষ চলমান ও জীবন্ত হয়ে ওঠে তাতে। শিল্পীর কিছু চিত্রকৃতি (ছবিতে একটি) নিয়ে গ্যাঞ্জেস আর্ট গ্যালারির আয়োজনে চলছে প্রদর্শনী, ‘গোপাল ঘোষ: আ পায়োনিয়ার অব মডার্ন ইন্ডিয়ান আর্ট’। ১২ অগস্ট পর্যন্ত, রবিবার বাদে রোজ ১১টা-৭টা।

সার্ধশতবর্ষে

সুদক্ষ শিকারি নাকি জনপ্রিয় লেখক, কোনটা আসল পরিচয় জিম করবেটের? ইতিহাস কি তাঁকে মনে রেখেছে ‘অরণ্যসংবেদী প্রকৃতিপাঠক’ রূপে, পাহাড়ি দরিদ্র মানুষের রক্ষক ও দোসর হিসেবে? গত বছর পূর্ণ হয়েছে এই অনন্য জীবনের সার্ধশতবর্ষ (জন্ম ১৮৭৫), এবং জলঘড়ি পত্রিকা তা মনে রেখে সাম্প্রতিক সংখ্যায় বিশেষ ক্রোড়পত্র করেছে তাঁকে নিয়েই। আজ ২৫ জুলাই, জিম করবেটের (ছবি) জন্মদিন, ‘জিম করবেট: স্মৃতি সত্তা’ (সংখ্যা সম্পা: অর্দ্ধেন্দুশেখর গোস্বামী) প্রকাশিত হবে রামমোহন লাইব্রেরির রায়া দেবনাথ সভাঘরে আজ বিকেল সাড়ে ৫টায়। জিম করবেটকে নিয়ে প্রতিভা সরকার নীলাঞ্জন হাজরা উৎপল ঝা চণ্ডিকাপ্রসাদ ঘোষাল প্রমুখের লেখায় সমৃদ্ধ পত্রিকাটি, অনুষ্ঠানেও তাঁকে নিয়ে বলবেন বিশিষ্টজন। তবে ক্রোড়পত্রের লেখাগুলি ছাড়াও, নিয়মিত বিভাগও জুড়ে আছে মননশীল রচনাদি: অনিতা অগ্নিহোত্রী মৃণাল ঘোষ যশোধরা রায়চৌধুরী সর্বানন্দ চৌধুরীর কলমে।

অচ্ছেদ্য

“কত ওষুধ খেয়ে বাঁচিয়ে রাখা এই শরীর নিয়ে যখন পাহাড়ে দশ-বারো হাজার ফুট ওপরে উঠে শ্বাস নিই, তখন মনে হয়, শরীরটা নতুন হয়ে উঠছে,” লিখেছেন উৎপল চৌধুরী। মারণরোগ বাসা বেঁধেছিল শরীরে, তবু পাহাড় পরিক্রমায় ছেদ পড়েনি। পর্বতারোহণে সঙ্গী হয়ে ওঠেন শমিতা, হিমালয়াশ্রিত নানা অঞ্চলের জনজাতির মানুষের সঙ্গে পাহাড়ে পাহাড়েই তৈরি হতে থাকে উৎপল-তাঁদের বন্ধুত্ব, একমাত্র কন্যার মৃত্যুতেও যেন খানিক উপশম। উদাত্ত নিসর্গের এই পরিমণ্ডল সঞ্চিত হতে থাকে উৎপলের কলমে ও ক্যামেরায়: আজ তিনি নেই, রয়ে গেছে পর্বত পরিক্রমার সেই প্রবহমান চিহ্নাদি। গ্রন্থাকারে হিমপ্রস্থে ইতস্তত (থীমা) প্রকাশ করবেন শমিতা-সহ পাহাড়ি আত্মীয়েরা, সিকিমের ছিরিং ভুটিয়া ও নর্ডেন ওয়াংচুক লেপচা, পর্বতারোহী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ, আজ বিকেল ৫টায় যদুনাথ ভবনে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Nandan Nandan3 Satyajit Ray mrinal sen Film Festival

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy