Advertisement
E-Paper

ইন্দ্রনীলের মামলায় দ্বিতীয় গ্রেফতার! মাস আর্টের অন্যতম মাথা ধ্রুবজ্যোতিকে ধরল পুলিশ, দুর্নীতির ছক তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত?

পুলিশ সূত্রে খবর, মাস আর্ট সংস্থাটি ধ্রুবজ্যোতি এবং ইন্দ্রনীলের মস্তিষ্কপ্রসূত ছিল। এই সংস্থার মাধ্যমে দুর্নীতির জাল বুনেছিলেন তাঁরা। সংস্থার মাথায় ছিলেন ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ২২:০০
(বাঁ দিকে) রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। মাস আর্টের সচিব ধ্রুবজ্যোতি বসু (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। মাস আর্টের সচিব ধ্রুবজ্যোতি বসু (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

মাস আর্ট সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রিতে দুর্নীতির অভিযোগে আরও এক জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। ওই সংস্থার সচিব ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভকে বুধবার সন্ধ্যায় টেরিটি বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন আগেই ধরা পড়েছিলেন। এ বার সেই মামলায় দ্বিতীয় কাউকে গ্রেফতার করা হল। এই সংক্রান্ত এফআইআরে ধ্রুবজ্যোতির নাম ছিল।

পুলিশ সূত্রে খবর, মাস আর্ট সংস্থাটি ধ্রুবজ্যোতি এবং ইন্দ্রনীলের মস্তিষ্কপ্রসূত ছিল। এই সংস্থার মাধ্যমে দুর্নীতির জাল বুনেছিলেন তাঁরা। সংস্থার মাথায় ছিলেন ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দা সেন। তাঁর নামও এফআইআর-এ রয়েছে। তবে তিনি কলকাতা হাই কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছেন। তাঁকে ইতিমধ্যে তলব করে দু’বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এ ছাড়া, ইন্দ্রনীলের কন্যাও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন।

এফআইআর-এ নাম থাকায় ধ্রুবজ্যোতি আগে থেকেই পুলিশের নজরে ছিলেন। দুর্নীতিতে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছিল এবং সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল। লালবাজারে ইন্দ্রনীল এবং মধুছন্দাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সেখানেও ধ্রুবজ্যোতির নাম এসে থাকতে পারে। সূত্রের খবর, মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী-স্ত্রীর বচসা, মতানৈক্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে। তাঁরা একে অপরকে দোষারোপ করেছেন। মধুছন্দা জানিয়েছেন, তিনি বারণ করলেও ইন্দ্রনীল তা শোনেননি। আবার ইন্দ্রনীল দাবি করেছেন, মধুছন্দা সব জানতেন।

২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার পরপরই গড়ে উঠেছিল মাস আর্ট সংস্থা। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি, প্রিভিউ শো-এর নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। বেআইনি ভাবে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে ইন্দ্রনীলরা টাকা তুলতেন। পুলিশের পাশাপাশি আর্থিক দুর্নীতির বিষয়গুলি তদন্ত করেছে দেখছে ইডি-ও। এর আগে ইন্দ্রনীলকে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তাঁর কসবার বাড়ি, সিঙ্গুরের বাগানবাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। তার পর প্রাক্তন মন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। উল্লেখ্য, ইন্দ্রনীল কিন্তু মাস আর্ট সংস্থার সঙ্গে নিজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। সে হিসেবে ধ্রুবজ্যোতিই ওই সংস্থার প্রথম ব্যক্তি, যাঁকে গ্রেফতার করা হল। এ ছাড়া এফআইআর-এ নাম আছে সংস্থার প্রেসিডেন্ট সায়ন্তন মৈত্র এবং কোষাধ্যক্ষ রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের।

indranil sen Kolkata Police

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy