E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

টিফিন খেতে খেতে স্কুলে পড়ে মৃত্যু দশমের পড়ুয়ার

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রায়হান টিফিন খেতে খেতে সম্ভবত মাথা ঘুরে পড়ে যায়। বন্ধুরা তাকে তুলে বসানোর চেষ্টা করেছিল। তারাই প্রথমে খবর দেয় শিক্ষকদের। তত ক্ষণে রায়হান অচৈতন্য হয়ে পড়ে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬ ০৮:৫০

—প্রতীকী চিত্র।

স্কুল চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হল দশম শ্রেণির এক ছাত্রের। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুরে, বাগুইআটি থানা এলাকায়। মৃত পড়ুয়ার নাম মহম্মদ রায়হান (১৬)।

তদন্তে জানা গিয়েছে, এ দিন দুপুরে স্কুলে টিফিন চলাকালীন চিত্তরঞ্জন কলোনি হিন্দু বিদ্যাপীঠের ওই পড়ুয়া খাবার খেতে গিয়ে হঠাৎই পড়ে যায়। খবর পেয়ে তাকে স্থানীয় দেশবন্ধুনগর হাসপাতালে নিয়ে যান শিক্ষকেরা। সেখানেই চিকিৎসকেরা ওই পড়ুয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রায়হান টিফিন খেতে খেতে সম্ভবত মাথা ঘুরে পড়ে যায়। বন্ধুরা তাকে তুলে বসানোর চেষ্টা করেছিল। তারাই প্রথমে খবর দেয় শিক্ষকদের। তত ক্ষণে রায়হান অচৈতন্য হয়ে পড়ে। দ্রুত স্কুলের কাছের ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসক চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি।

সোমবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে, পরিবারের তরফে অভিযোগ জমা পড়লে পদক্ষেপ করা হবে। আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত শুরু হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটি সবিস্তার জানার চেষ্টা চলছে। চিকিৎসকের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পুলিশ রায়হানের দেহের ময়না-তদন্ত করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এক পুলিশকর্তা জানান,এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। ময়না-তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ বলা যাবে।

স্কুল সূত্রের খবর, রাজারহাট-নিউ টাউনের ঘুনির মাঝেরপাড়ার বাসিন্দা ওই পড়ুয়া এ দিন দুপুর দেড়টা নাগাদ অসুস্থ হয়ে পড়ে। বন্ধুদের মারফত সেই খবর যায় শিক্ষকদের কাছে। তাঁরাই পড়ুয়াকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই ছাত্রের আচমকা মৃত্যুর ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা স্কুল।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রায়হানের বাবা কাঠের কাজ করেন। বড় সন্তান রায়হানকে হারিয়ে স্তব্ধ পরিবার। কথা বলার মতো অবস্থায় নেই রায়হানের বাবা-মা। দুপুরে স্কুল থেকে খবর গিয়েছিল পড়ুয়ার বাড়িতে। তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে পৌঁছে যান পরিজনেরা। পরিবার সূত্রের খবর, তাদের বলা হয়েছিল, রায়হান আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তারা জানতে পারেন, স্কুলেই সে অচৈতন্য হয়ে যায়। তখন দেহে সাড় ছিল না।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Death Case Student

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy