এক মহিলাকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠল। তাঁর চুল কেটে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার নিশ্চিন্দপুরের ঘটনা। পুলিশের দাবি, পারিবারিক অশান্তির জেরেই তা ঘটেছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, একটি জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিবাদ চলছে এলাকার বাসিন্দা শাহজাহান গাজির পরিবার ও স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দার মধ্যে। শাহজাহানের দাবি, তিনি ওই জমি কেনেন। কিন্তু বছরখানেক আগে জমিতে পাঁচিল তুলতে গেলে স্থানীয় কয়েক জন বাধা দেন। তৃণমূল-আশ্রিত ওই লোকেরা ৭৫ হাজার টাকা তোলা চান বলে অভিযোগ। টাকা না দেওয়ায় মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। শাহজাহান কোর্টে যান। বিষয়টি বিচারাধীন।
এরই মধ্যে শুক্রবার ওই জমিতে বাঁশ পুঁতছিলেন কয়েক জন। তাতে বাধা দিতে যান শাহজাহানের স্ত্রী সাবিনা। তিনি আদালতের নোটিসের কথা বলেন। অভিযোগ, এর পরেই সাবিনার উপরে হামলা চালান স্থানীয় কয়েক জন। নাবালিকা মেয়ের সামনে তাঁকে মারধর করা হয়। এর পরে তাঁকে ওই জমিতে নিয়ে গিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। সাবিনার চুলও কেটে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। নরেন্দ্রপুর থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
সাবিনা বলেন, ‘‘ওরা বিভিন্ন জায়গা থেকে তোলা তোলে। কেউ জমি কিনলে, বাড়ি করলে ওদের তোলা দিতে হয়। সেই ভাবেই আমাদের কাছে তোলা চেয়েছিল। দিতে না চাওয়ায় ঝামেলা শুরু হয়। মেয়ের সামনে আমাকে মারা হয়েছে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, এর বিচার চাই।’’ শাহজাহানের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের মদতেই তোলাবাজি ও অত্যাচার চালানো হত। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অভিযোগ মানেননি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।