পুজোর ছুটিতে সপরিবার পুরী রওনা দিয়েছিলেন দমদমের নাগেরবাজারের এক দম্পতি। মাঝপথে ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু হল তাঁদের যুবতী কন্যার। ট্রেনের আসন একসঙ্গে না থাকায় বাবা-মা প্রথমে জানতেও পারেননি সেই দুঃসংবাদ। যখন জানলেন, তত ক্ষণে তাঁরা প্রায় পুরী পৌঁছে গিয়েছেন। পুলিশ সূত্রের খবর, নাগেরবাজারের বাসিন্দা সুরজিৎ মুখোপাধ্যায় শুক্রবার স্ত্রী, কন্যা এবং পুত্রকে নিয়ে পুরীর উদ্দেশে শালিমার থেকে ট্রেনে চড়েন। সুরজিৎ, তাঁর স্ত্রী এবং পুত্র এক জায়গায় বসে ছিলেন এবং মেয়ে রিয়াঙ্কা (৩০) বসে ছিলেন অন্যত্র। পরিবার জানিয়েছে, অনেক ক্ষণ মেয়ের খবর না পেয়ে সন্ধ্যায় সুরজিতেরা রিয়াঙ্কার আসনে গিয়ে তাঁর খোঁজ করেন। অন্য যাত্রীদের থেকে জানতে পারেন, রিয়াঙ্কা শৌচাগারের দিকে গিয়েছেন। খোঁজ শুরু হয়। এমন সময়ে সুরজিতের কাছে পাঁশকুড়া জিআরপি-র ফোন আসে। জানানো হয়, মেচেদা স্টেশনের অদূরে রেললাইনে রিয়াঙ্কার দেহ মিলেছে। অনুমান, তিনি কোনও ভাবে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গিয়েছিলেন। ওই যুবতীর কাছে থাকা টিকিটের তথ্যের ভিত্তিতে ফোন করা হয় তাঁর বাবাকে। পুলিশ সূত্রের খবর, তমলুক জেলা হাসপাতালে ময়না তদন্তের পরে শনিবার রিয়াঙ্কার দেহ তাঁর পরিবারকে দেওয়া হয়। পাঁশকুড়া জিআরপি-র এক আধিকারিক জানান, সব থানাকে খবর দেওয়া হয়েছিল। তবে মৃতের কাছে থাকা টিকিটে কিছু তথ্য মেলে। তার ভিত্তিতে ফোন নম্বর পেয়ে সুরজিৎকে ফোন করা হয়।