নিট ইউজি-সহ বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে যে ধর্না-অবস্থান চলছে, সেখানে গিয়ে সংহতি জানালেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির পশ্চিমবঙ্গের সদস্য সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ী, সুমিত দে, সৈয়দ হোসেন ও দেবব্রত ঘোষ। কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র নিশানা করে আন্দোলনের ঐক্য বজায় রাখার ডাকও দিয়েছেন সুজনেরা।
সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক উপলক্ষে দিল্লিতে গিয়ে বাংলার নেতারা রবিবার গিয়েছিলেন যন্তর মন্তরে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি সেখানে এসএফআই-এর শিবিরেও গিয়েছিলেন তাঁরা। তবে আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার জন্য তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি সুজনদের। পরে আন্দোলন-স্থলে এসএফআইয়ের শিবির থেকে সুজন বলেছেন, “ধর্মেন্দ্রের এক মিনিট পদে থাকার যোগ্যতা নেই! তাঁকে রক্ষা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সরকার যদি ছাত্র-ছাত্রীদের কথা না ভাবে, তা হলে তাদের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। মানুষের স্বার্থে এই আন্দোলনে যে ঐক্য তৈরি হয়েছে, তা বজায় থাক।” কোনও আন্দোলনকারীর মৃত্যু হলে, তার জন্য মোদী দায়ী থাকবেন বলে মন্তব্য করেছেন শমীক।
এর আগে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের ডাকে শহরের কলেজ স্ট্রিট-সহ দেশের ১০০টি জায়গায় প্রতীকী অনশন হয়েছিল। দু’দিন আগেই ধর্না-মঞ্চে সোনমের কাছে সংহতির বার্তা দিয়েছিলেন এসএফআই-এর সর্বভারতীয় নেতা সৃজন ভট্টাচার্য, আদর্শ এম সাজি।