E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

পুকুর বোজানোর প্রতিবাদ করায় বোমাবাজি শিবপুরে

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই এলাকার মাধব ঘোষ লেনে বাদামপুকুর নামে একটি ১১ কাঠার পুকুর রয়েছে। তৃণমূল সরকারের জমানায় স্থানীয় এক প্রোমোটার বেআইনি ভাবে ওই পুকুরটি বোজানোর কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ০৮:৫৭

— প্রতীকী চিত্র।

বেআইনি ভাবে এলাকার একটি পুকুর বোজানোর প্রতিবাদ করেছিলেন বাসিন্দারা। তৈরি করেছিলেন পুকুর বাঁচাও কমিটি। অভিযোগ, প্রতিবাদ করার অপরাধে এলাকায় বোমাবাজি করল কিছু দুষ্কৃতী। হাওড়ার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানে বিজেপি নেতা, চিকিৎসক রথীন চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে এই বোমা পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার রাতে, শিবপুরের কাসুন্দিয়ার ঘটনা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই এলাকার মাধব ঘোষ লেনে বাদামপুকুর নামে একটি ১১ কাঠার পুকুর রয়েছে। তৃণমূল সরকারের জমানায় স্থানীয় এক প্রোমোটার বেআইনি ভাবে ওই পুকুরটি বোজানোর কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ। তখন স্থানীয়েরা তার প্রতিবাদ করেন। তাঁরা হাওড়া পুরসভায় তৎকালীন মুখ্য প্রশাসক সুজয় চক্রবর্তীকে জানালে পুকুর বোজানোর কাজ বন্ধ হয়। কিন্তু ২০২১ সালের পরে ফের পুকুরটি বোজানোর কাজ শুরু হয়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বাধা দিতে গেলে কিছু দুষ্কৃতী পাড়ার ক্লাব ভাঙচুর করে, বাসিন্দাদের শাসায়। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে জেলা প্রশাসন ‘জল ধরো জল ভরো’ প্রকল্পে ফের পুকুরটি কাটার কাজ শুরু করে। অভিযোগ, এর পরেই শনিবার রাতে এলাকায় বোমাবাজি করা হয়।

রবিবার স্থানীয় এক বাসিন্দা বাবাই মালিক বলেন, ‘‘পুকুর বোজানোর প্রতিবাদ করায় ওই প্রোমোটার ও তাঁর আশ্রিত দুষ্কৃতীরা শনিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ এলাকায় তিনটি বোমা ফেলে। গভীর রাতে এসে আমাদের ক্লাবের সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে।’’ এ প্রসঙ্গে প্রাক্তন মেয়র তথা বিজেপি নেতা রথীন চক্রবর্তী বললেন, ‘‘বাম আমল থেকে পুকুরটি বুজিয়ে বাস্তুজমি করে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। তৃণমূলের আমলে বন্ধ করা হয়। আমি মেয়র থাকার সময়ে শহরের পুকুরগুলি রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলাম। আশা রাখি, বর্তমান সরকার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে।’’

তবে অভিযুক্ত প্রোমোটার রামজি অগ্রহরির দাবি, ‘‘আমরা ব্যবসায়ী। কোনও দুষ্কৃতীমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত নই। বোমাবাজির ঘটনা ওই ক্লাবের গোষ্ঠী-বিবাদের জন্য হয়েছে। আমি প্রমাণ করে দেব, ওই জমি আসলে বাস্তু জমি।’’ হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘শনিবার রাতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কেউ গ্রেফতার হয়নি এখনও।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
bomb Shibpur Pond Filling

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy