Advertisement
E-Paper

১৪৪ থেকে ২০৯টি কি আইন মেনে? কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসে আপাতত হস্তক্ষেপ করল না হাই কোর্ট

কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) নিয়ে দু’পক্ষের হলফনামা চেয়েছে হাই কোর্ট। ছ’সপ্তাহ পরে ফের এই মামলার শুনানি হতে পারে। তার আগে এ নিয়ে আদালত অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:০৭
কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে মামলা কলকাতা হাই কোর্টে।

কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে মামলা কলকাতা হাই কোর্টে। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) নিয়ে আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। পুরসভায় আগে ১৪৪টি ওয়ার্ড ছিল। তার সংখ্যা বেড়ে এখন হয়েছে ২০৯টি। এই পুনর্বিন্যাস আইন মেনে সঠিক পদ্ধতিতে হয়নি বলে অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার হাই কোর্টের বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের বেঞ্চ দু’পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে বলেছে। এখনই এই বিতর্কে হস্তক্ষেপ করতে চায়নি আদালত।

হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে মামলার ভিত্তিতে রাজ্য সরকারকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে। তার পরবর্তী দু’সপ্তাহের মধ্যে পাল্টা হলফনামা দেবেন মামলাকারী। ছ’সপ্তাহ পরে হাই কোর্টে এই মামলাটি ফের শুনানির জন্য উঠতে পারে।

কলকাতায় পুরভোট আসন্ন। ডিসেম্বর মাসেই পুরসভাগুলিতে নির্বাচন হতে পারে। তার আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে জট কাটবে বলে মনে করেছিলেন অনেকেই। আপাতত আদালত হস্তক্ষেপ না করায় পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।

কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডের সংখ্যাবৃদ্ধির কথা জানিয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞপ্তি দেয় রাজ্য। সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মামলা করেছেন কসবার বাসিন্দা সিপিএমের দীপু দাস। তাঁর অভিযোগ, ওয়ার্ডগুলির সীমানা পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত সামঞ্জস্য রাখা হয়নি। ওয়ার্ডগুলির জনসংখ্যা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রশাসনিক সামঞ্জস্যের বিষয়গুলি যথাযথ ভাবে বিবেচনা করা হয়নি। এমনকি, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মামলাকারী। দাবি, কোনও একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এই কাজ করা হয়েছে। আদালতকে বিষয়টি বিবেচনা করার আবেদন জানান তিনি। ফলে পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর রয়েছে। অনেকের দাবি, এর প্রভাব পড়তে পারে ভোটের হিসাবেও।

মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের সওয়াল, পুরসভা ভেঙে যাওয়ার পরে পুর কমিশনারের ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করার ক্ষমতাই নেই। অথচ তিনি সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন। পুরসভার পক্ষে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র জানান, প্রথমে বর্ধিত ওয়ার্ডের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই সময় আপত্তি ও পরামর্শ জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখন কেউ আপত্তি জানাননি। এর পরেই আদালত জানায়, এখনই অন্তর্বর্তী কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে সব পক্ষের বক্তব্য শুনে সিদ্ধান্ত নেবেন বিচারপতি।

KMC Kolkata Municpal Corporation Delimitation Calcutta High Court

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy