মরণোত্তর চক্ষু ও দেহদান আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করার আবেদন জানাল ‘গণদর্পণ’। প্রাক্তন মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীর স্মরণে আন্দুল রোড আদর্শ বিদ্যায়তনে সোমবার মরণোত্তর দেহদান ও চক্ষুদান উপলক্ষে শিবির আয়োজন করেছিল হাওড়ার ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন। সেখানেই ওই আবেদন জানিয়েছে গণদর্পণ। ইয়ং অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক সাম্য দাস বলেছেন, “রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি প্রাক্তন মন্ত্রীর বিজ্ঞান ও সামাজিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। তাঁর সেই কর্মকাণ্ড আমাদের আজও পথ দেখায়।” গণদর্পণের তরফে সমীরণ মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “পথ দুর্ঘটনায় সাড়ে তিন বছরের একটি শিশুকন্যার মৃত্যু হয়। শোকের মধ্যেও তার মা-বাবা দেহদানের অঙ্গীকার ভোলেননি। এমন উদাহরণ আমাদের পথ চলার শক্তি জোগায়।” শিবিরে এ দিন প্রায় ৫০ জন দেহ ও চক্ষুদানের অঙ্গীকার-পত্রে সই করেছেন। শিবিরে ছিলেন সিপিএম নেতা সুজিত মুখোপাধ্যায়, সৌমেন মুখোপাধ্যায়, মৃত্যুঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, সঞ্জয় পশি, পাপিয়া নন্দী, কংগ্রেস নেতা প্রবীর ঘোষ প্রমুখ।