দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় বিচার চেয়ে এবং ওই ঘটনার পরে হওয়া অশান্তিতে জড়িত অভিযোগে ধৃত লাহেক আলির মুক্তির দাবিতে শনিবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় পথে নামল সিপিএম। দিন কয়েক আগে উঠতি ফুটবলার প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনাতেও দোষীদের শাস্তির দাবি তোলা হয় মিছিল থেকে। ওই প্রতিবাদ মিছিল থেকেই লাহেকের গ্রেফতারির ঘটনাকে ‘মিথ্যা মামলা’ আখ্যা দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
সিপিএমের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কমিটির ডাকে হওয়া মিছিলে সেলিম ছাড়াও যোগ দিয়েছিলেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী, দলের জেলা সম্পাদক রতন বাগচী, দলের নেতা রবীন দেব, শতরূপ ঘোষ-সহ অন্যেরা। পথেই মিছিল আটকায় পুলিশ। সেখানেই একটি গাড়িতে দাঁড়িয়ে চলে সভার কাজ। সেলিম বলেছেন, “রাজ্যে তৃণমূল সরকারের মতো বিজেপি সরকারও সিপিএমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করছে। এটা করে সিপিএমের লাল ঝান্ডাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ করতে পারেননি, শুভেন্দুও অধিকারীও পারবেন না।” সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, সংশ্লিষ্ট ঘটনার পরে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ লাহেক-সহ সিপিএম নেতাদের সাহায্য চেয়েছিল। সিপিএম নেতারা পুলিশকে সাহায্য করেছেন। এই সূত্রেই সেলিমের অভিযোগ, “লাহেক সত্যি কথা বলেছিলেন, তাই ওঁকে জেলে পুরেছে। যাঁরা প্রতিবাদ করেছিলেন, তাঁদের মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে।’’ মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে পুলিশের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সেলিম। পাশাপাশি, সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পরে মোট ৪৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
সমাবেশ থেকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার প্রসঙ্গ তুলে সুজন বলেছেন, “ধর্মেন্দ্রকে জমা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কিন্তু ছাত্র আন্দোলনের পরে তাঁকে খরচ করতে হল! শুভেন্দুরা যেন এটা মনে রাখেন।”