Advertisement
E-Paper

স্বাধীনতার পাঠশালায় নেতার সংখ্যা কমিয়ে দিল সিপিএম, বক্তা বিশিষ্টেরা, ঝুঁকি সত্ত্বেও বৃত্ত বড় করতে নতুন কৌশলে কর্মসূচি

সোমবার সিপিএমের কলকাতা জেলা দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন জেলা সম্পাদক তথা রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কল্লোল মজুমদার। সেখানেই তিনি জানিয়েছেন, স্বাধীনতার ইতিহাসকে নানা ভাবে ‘বিকৃত’ করা হচ্ছে। প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতেই ১১ থেকে ১৪ অগস্ট কলকাতার ৮০টি জায়গায় দলের তরফে কর্মসূচি হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ অগস্ট ২০২৬ ২০:৩২
CPM will hold meetings at 80 locations in Kolkata to mark Independence Day

—প্রতীকী ছবি।

ঝুঁকি নিয়ে বৃত্ত বড় করার পথে হাঁটতে চলেছে সিপিএম। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কলকাতার ৮০টি জায়গায় প্রকাশ্য কর্মসূচি করবে তারা। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে নেতার সংখ্যা কমিয়ে বিশিষ্টদের জায়গা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিপিএমের কলকাতা জেলা কমিটি। সোমবার সিপিএমের কলকাতা জেলা দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন জেলা সম্পাদক তথা রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কল্লোল মজুমদার। সেখানেই তিনি জানিয়েছেন, স্বাধীনতার ইতিহাসকে নানা ভাবে ‘বিকৃত’ করা হচ্ছে। প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতেই ১১ থেকে ১৪ অগস্ট কলকাতার ৮০টি জায়গায় দলের তরফে কর্মসূচি হবে। সেই কর্মসূচিতেএক তৃতীয়াংশের বেশি মূল বক্তা হবেন ইতিহাসবিদ, গবেষক, নাট্যকর্মী বা সমাজের অন্যান্য অংশের বিশিষ্টজন। যা থেকে স্পষ্ট, দলের কর্মসূচি হলেও দলীয় নেতার সংখ্যা কমিয়ে এই পথে হাঁটতে চলেছে সিপিএম।

এতে যে ঝুঁকি রয়েছে তা মেনে নিয়েও ‘বৃহত্তর আঙ্গিকে’ এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। কল্লোল বলেন, ‘‘তার মধ্যে কোনও কথা আমাদের পার্টির মূল বোঝাপড়ার বাইরে হয়ে যাবে না, এমনটা নয়। কিন্তু আমরা মনে করছি এই লড়াইয়ে বৃহত্তর অংশকে সম উপলব্ধি থেকে সমবেত করা দরকার।’’

সাধারণত সিপিএম এই ধরনের ঝুঁকি নেয় না। কমিটির নেতারাই ফরাসি বিপ্লব থেকে ফুটবল সব বোঝেন— এই মানসিকতা দলে বড় অংশের মধ্যে রয়েছে। কলকাতার সিপিএম সেই অচলায়তনে ধাক্কা দিয়ে সার্বিক ভাবে গোটা রাজ্যের দলীয় সংগঠনকেও নতুন ভাবনার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল বলে মনে করছেন দলেরই অনেকে।

কিন্তু কেন এই পথে হাঁটছে সিপিএম? রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভময় মৈত্রের কথায়, ‘‘নির্বাচনী রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সিপিএম কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হলেও শহুরে মধ্যবিত্ত এবং শিক্ষিত অংশের মধ্যে তাদের যথেষ্টই প্রভাব রয়েছে। কিন্তু তা ভোটে প্রতিফলিত হচ্ছে না। কারণ, সিপিএমের সার্বিক জনসংযোগের জায়গাটা দীর্ঘ সময় ধরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। সেই জমি ফিরে পেতেই কৌশলগত ভাবে সিপিএমের পক্ষে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা স্বাভাবিক।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তা ছাড়া দেশপ্রেম বা জাতীয়বাদের প্রশ্নে বিরোধিতাকে দেশদ্রোহ বলার যে ভাষ্য বিজেপি এত দিন চালিয়ে আসছিল, আরশোলা আন্দোলনের পর তা-ও বাঁক নিয়েছে। সিপিএম সম্ভবত সেই জায়গাটাও ধরতে চাইছে।’’

CPM

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy