প্রতিমা বির্সজন দিতে গিয়ে পুলিশকর্মীদের মারধর, মহিলা পুলিশকর্মী এবং অস্থায়ী হোমগার্ডদের যৌন হেনস্থার অভিযোগে চার পুজো উদ্যোক্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে, দক্ষিণ বন্দর থানা এলাকার গোয়ালিয়র ঘাটের ঘটনা। ধৃতেরা নিজেদের রূপান্তরকামী বলে দাবি করেছেন। তবে পুলিশের দাবি, ধৃতদের দু’জন রূপান্তকামী হলেও বাকি দু’জন এ সংক্রান্ত কোনও নথি দেখাতে পারেননি। ওই ঘটনায় জখম পাঁচ পুলিশকর্মী ও অস্থায়ী হোমগার্ডকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযুক্তেরা ঘাটে থাকা পুলিশের অস্থায়ী শিবিরও ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ। রাতেই দক্ষিণ বন্দর থানায় সরকারি কাজে বাধাদান, পুলিশকর্মীদের মারধর, যৌন হেনস্থা ও পুলিশ শিবির ভাঙচুরের মামলা রুজু করে পুলিশ। ধৃতদের শনিবার আদালতে তোলা হলে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ হয়।
প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানায়, কসবার বোসপুকুরের এক রূপান্তরকামীর বাড়ির প্রতিমা বিসর্জনের জন্য গোয়ালিয়র ঘাটে এলে চার উদ্যোক্তাকে ঘাটে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়। অভিযোগ, তা না মেনে প্রায় ২০ জন প্রতিমার সঙ্গে ঘাটে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশকর্মীরা বাধা দেন। তখন অস্থায়ী হোমগার্ড ও পুলিশকর্মীদের মারধর করে ঘাটে চলে যায় অভিযুক্তরা। পরে পুলিশ দুই অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। অভিযোগ, বিসর্জনের পরে দলটি ফের চড়াও হয় ও পুলিশের শিবিরে ভাঙচুর করে। এক তদন্তকারী জানান, যাঁর বাড়ির পুজো, তাঁকে-সহ মোট চার জনকে প্রথমে আটক করা হয়। রাতেই অভিযুক্তদের ডাক্তারি পরীক্ষার পরে লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপে রাখা হয়।