E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

পোষ্যের নথিভুক্তিতে ২৭ অক্টোবর থেকে নতুন ব্যবস্থা

তবে, শুধু পোষ্য নয়, ব্যবসার লাইসেন্স, ঠেলাগাড়ির অনুমতি এবং কঠিন বর্জ্য পরিষ্কারের মাসুল আদায়ের পদ্ধতিতেও আসছে বড় পরিবর্তন। সব নাগরিক পরিষেবাকে একই ডিজিটাল ছাতার তলায় আনতে ‘ই-কেএমসি ১.০’ ব্যবস্থার কাজ আজ, ১৫ অক্টোবর থেকে বন্ধ করে ২৭ অক্টোবর থেকে পুরোদমে ‘ই-কেএমসি ২.০’ চালু করতে চলেছে পুরসভা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:৩৩

— প্রতীকী চিত্র।

কলকাতা পুরসভা এলাকায় পোষ্য কুকুরের নথিভুক্তি বাধ্যতামূলক হলেও অনলাইন সুবিধা চালুর পর থেকে সেই সংখ্যাটা নগণ্যই থেকে গিয়েছে। আগে কেন্দ্রীয় পুরভবন বা বরো অফিসে গিয়ে অফলাইনে আবেদন করতে হত। তা এড়াতে ২০২২ সালের শেষ দিকে অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা হলেও সাড়া মেলেনি। তাই এ বার নথিভুক্তির নিয়ম কার্যকর করতে জোর দিচ্ছে পুরসভা। নতুন ব্যবস্থায় অনলাইনে আবেদনের পাশাপাশি পোষ্যের টিকাকরণের শংসাপত্র দেখানোও বাধ্যতামূলক।

তবে, শুধু পোষ্য নয়, ব্যবসার লাইসেন্স, ঠেলাগাড়ির অনুমতি এবং কঠিন বর্জ্য পরিষ্কারের মাসুল আদায়ের পদ্ধতিতেও আসছে বড় পরিবর্তন। সব নাগরিক পরিষেবাকে একই ডিজিটাল ছাতার তলায় আনতে ‘ই-কেএমসি ১.০’ ব্যবস্থার কাজ আজ, ১৫ অক্টোবর থেকে বন্ধ করে ২৭ অক্টোবর থেকে পুরোদমে ‘ই-কেএমসি ২.০’ চালু করতে চলেছে পুরসভা।

২৭ অক্টোবর থেকে চালু হওয়া ব্যবস্থায় পোষ্য কুকুরের নথিভুক্তির জন্য অনলাইন আবেদনে মালিকের পরিচয় ও যোগাযোগের তথ্যের পাশাপাশি পোষ্যের নাম, বয়স, জাত, রং এবং অন্যান্য পরিচয়মূলক তথ্য দিতে হবে। টিকাকরণের শংসাপত্রও দেখাতে হবে।

অন্য দিকে, ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন লাইসেন্স, বকেয়া মিটিয়ে রসিদ মেলা বা ব্যবসা বন্ধের আবেদন— আগের মতো সবই হবে অনলাইনে। তবে মালিকানা বা ঠিকানা বদলের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগের আগাম অনুমতি জরুরি। বিয়েবাড়ি বা উৎসবের জায়গাগুলির ক্ষেত্রে ছাড়পত্র খতিয়ে দেখে প্রতি বছর লাইসেন্স নবীকরণ করতে হবে।

ঠেলাগাড়ির সংখ্যাতেও নজর রাখছে পুর প্রশাসন। কলকাতায় নথিভুক্ত ঠেলাগাড়ির মোট সংখ্যা ২০ হাজারে বেঁধে রাখা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন মিললে নির্ধারিত ফি দিয়ে পুরসভা থেকে নম্বর-সহ ধাতুর ফলক পাবেন মালিকেরা। গাড়ি চুরি গেলে বা নথি হারিয়ে গেলে সাময়িক ভাবে লাইসেন্স স্থগিত থাকবে। পরে গাড়ি বা কাগজ ফেরত পেলে তা চালু করা যাবে। এ ছাড়া, কঠিন বর্জ্য পরিষ্কারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের আয়তন ও ধরনের উপরে ভিত্তি করে মাসুল ধার্য হবে। ট্রেড লাইসেন্স না থাকলেও আলাদা পরিচয় নম্বর তৈরি করে মাসুল নেবে পুরসভা।

পুর প্রশাসনিক সূত্রের খবর, বিভিন্ন পরিষেবা সহজ করা ও টাকা আদায়ের ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনাই মূল উদ্দেশ্য। নতুন ব্যবস্থায় কাজের গতি কতটা বাড়ে ও মানুষের হয়রানি কতটা কমে, নজর এখন সে দিকেই।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
KMC pet dogs

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy