এক মহিলাকে খুনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী, স্বামীর এক বন্ধু ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা থানার পুরনো ডাকঘর এলাকায়। মৃতার নাম রেশমি মণ্ডল (৩২)। তাঁর মা-বাবার বাড়ি বেহালার পর্ণশ্রী থানা এলাকায়। এই ঘটনায় মৃতার স্বামী ও তাঁর এক বন্ধুকে আটক করেছে পুলিশ।
স্বামীর মতো রেশমিও একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন। ছোটবেলা থেকেই বন্ধুত্ব তাঁদের। ২০২৪ সালে বিয়ে করেন দু’জনে। মৃতার পরিবারের দাবি, শুক্রবার রেশমি ও তাঁর স্বামী বন্ধুদের সঙ্গে সিনেমা দেখতে যান। তার পরে রেস্তরাঁয় খাওয়াদাওয়া করেন। বাড়িতে ফিরে আসেন সাড়ে ৮টা নাগাদ। এর পরে রাত ১টা নাগাদ রেশমির মা-বাবার বাড়িতে ফোন করে জানানো হয়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তাঁকে ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। রেশমির পরিজনেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন, দেহ মেঝের উপরে পড়ে আছে এবং পাখার সঙ্গে একটি কাপড় ঝুলছে। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁদের জানান, ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। অনেক ক্ষণ ডাকাডাকি করার পরেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঢুকে রেশমির ঝুলন্ত দেহ দেখেন তাঁরা।
রেশমির পরিজনদের দাবি, দরজা ভাঙার কোনও চিহ্ন তাঁরা দেখতে পাননি। সেই কারণেই তাঁদের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মহেশতলা থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে বেহালার বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে গেলেচিকিৎসকেরা রেশমিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিজনদের তরফে মহেশতলা থানায় খুনেরঅভিযোগ দায়ের করা হয়। যার ভিত্তিতে রেশমির স্বামী ও তাঁর এক বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। দেহটি ময়না-তদন্তে পাঠানো হয়েছে।