Advertisement
E-Paper

এসআরএফটিআই-কাণ্ডে সিট গড়ল রাজ্য! নেতৃত্বে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাপ্রধান, প্রথম রিপোর্ট পেশ বৃহস্পতির মধ্যেই

গত রবিবার এসআরএফটিআই-এ ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখবে ছয় সদস্যের সিট। নবান্ন জানিয়েছে, তদন্তের প্রয়োজনে রাজ্য পুলিশ বা কলকাতা পুলিশের থেকে আধিকারিক বা কর্মীর জন্য আবেদন করতে পারবে সিট।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:১৪
Nabanna has formed an SIT to investigate Sunday\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\'s clash at SRFTI

গত রবিবার এসআরএফটিআই-তে সংঘর্ষের ঘটনার তদন্ত করবে সিট। —ফাইল চিত্র।

সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই)-এর ঘটনার তদন্তে এ বার বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করল নবান্ন। গত রবিবার ওই শিক্ষাঙ্গনে ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখবে ছয় সদস্যের সিট। এই তদন্তকারী দলের মাথায় রয়েছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাপ্রধান কুণাল অগ্রবাল।

রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে সিট গঠনের নির্দেশ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এসআরএফটিআই-এর ঘটনায় পঞ্চসায়র থানায় তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। সেই এফআইআরগুলির ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তের জন্য সিট গঠন করা হচ্ছে। বিশেষ তদন্তকারী দলে কারা রয়েছেন, তা-ও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সিটের নেতৃত্বে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাপ্রধান। এ ছাড়াও ওই তদন্তকারী দলে রয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের ডিসি (ডিসিডিডি) স্পর্শ নীলাঙ্গী, রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের (সিআইডি) ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক কৌশিক ঘোষ। এ ছাড়া সলিল রায়, তুষারকান্তি ঘোষ এবং হীরক দলপতি নামে কলকাতা পুলিশের তিন উচ্চপদস্থ আধিকারিকও এই দলে রয়েছেন।

নবান্নের তরফে এ-ও জানানো হয়েছে, তদন্তের প্রয়োজনে রাজ্য পুলিশ বা কলকাতা পুলিশের থেকে আধিকারিক বা কর্মীর জন্য আবেদন করতে পারবে সিট। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১ অক্টোবরের মধ্যে সিট-কে তাদের প্রথম তদন্ত রিপোর্ট জমা করতে হবে রাজ্য সরকারের কাছে।

গত রবিবার সকালে এসআরএফটিআই-এর প্রেক্ষাগৃহে সভার আয়োজন করেছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শাখা সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত বা এবিজিপি (পশ্চিমবঙ্গ প্রান্ত)’। তাদের দাবি, কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই সকাল ১০টা থেকে এই সভা চলছিল। তার কিছু পরেই ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে আপত্তি তোলেন পড়ুয়াদের একাংশ। প্রেক্ষাগৃহের সামনে বিক্ষোভ দেখান কয়েক জন পড়ুয়া। কেন বেসরকারি সংগঠনকে ক্যাম্পাসে সভা করতে দেওয়া হল, রেজিস্ট্রারের কাছে তা জানতে চান পড়ুয়ারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই যাবতীয় গোলমালের সূত্রপাত। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে কার্যত তা সংঘর্ষের আকার নেয়। পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ এবিজিপি-র বিরুদ্ধে। পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পাল্টা মারধরের অভিযোগ তুলেছেন ওই সংগঠনের সদস্যেরা।

এসআরএফটিআই-কাণ্ড নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কাউকে রেয়াত না-করার বার্তা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘‘কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে কোনও ধরনের হিংসাই নিন্দনীয়। অভিপ্রেত নয়। কিন্তু আমি যা ছবি দেখলাম, তাতে দুই পক্ষের গন্ডগোলে যদি স্বামী বিবেকানন্দের ছবি বা ভারতমাতার ছবিতে লাথি পড়ে, তা হলে বুঝতে হবে, এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই সংস্কৃতি আমরা বদলাব। কোনও বাঙালি ছাত্রছাত্রী বিবেকানন্দের ছবিতে লাথি মারতে পারে না। এই সংস্কৃতি বরদাস্ত হবে না।’’

তবে রবিবারের ঘটনা নিয়ে পড়ুয়া এবং শিক্ষকমহলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম নিয়েছে। তদন্ত নিয়েও উষ্মাপ্রকাশ করেন অনেকেই। সেই আবহে এসআরএফটিআই-এর ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করল নবান্ন।

SRFTI SIT

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy