E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

বারুইপুরে বাজি ক্লাস্টার, উদ্যোগী তফসিলি কমিশন

আগের সরকারের আমলে বারুইপুরের চম্পাহাটিতে বাজি ক্লাস্টার তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। চম্পাহাটির কাটাখালে বেশ কিছু বিক্রয় কেন্দ্রও তৈরি হয়। সেগুলি অবশ্য এখনও চালু হয়নি। উৎপাদন কেন্দ্র তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়েও আটকে আছে বহু দিন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:০৪

— প্রতীকী চিত্র।

বারুইপুরে দীর্ঘ দিন আটকে থাকা বাজি ক্লাস্টার চালু করতে এ বার আসরে নামল জাতীয় তফসিলি কমিশন। মঙ্গলবার বাজি ব্যবসায়ীদের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন জাতীয় তফসিলি কমিশনের সদস্য পার্থ বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন জেলা ও মহকুমা প্রশাসন এবং পুলিশের আধিকারিকেরা। সেখানেই ওঠে ক্লাস্টার-প্রসঙ্গ।

আগের সরকারের আমলে বারুইপুরের চম্পাহাটিতে বাজি ক্লাস্টার তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। চম্পাহাটির কাটাখালে বেশ কিছু বিক্রয় কেন্দ্রও তৈরি হয়। সেগুলি অবশ্য এখনও চালু হয়নি। উৎপাদন কেন্দ্র তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়েও আটকে আছে বহু দিন। পার্থ বলেন, “উৎপাদন কেন্দ্রের জন্য যে পরিমাণ জমি দরকার, তা দ্রুত অধিগ্রহণ করার জন্য প্রশাসনকে বলব। পাশাপাশি, যেটুকু জমি হাতে আছে, তা কাজে লাগিয়ে কী ভাবে বাজি উৎপাদন শুরু করা যায়, তা-ও দেখার অনুরোধ করব।”

চম্পাহাটিতে মূলত দু’ভাবে বাজির ব্যবসা হয়। কিছু ব্যবসায়ী নিজেরা বাজি তৈরি করে বিক্রি করেন। তবে, বেশির ভাগ বাজি আসে ভিন্ রাজ্য থেকে। অভিযোগ, হাতে গোনা ব্যবসায়ীর বাজি তৈরির শংসাপত্র আছে। পার্থ বলেন, “এখানে আগেই বিক্রয় কেন্দ্র তৈরি হয়েছে। তার থেকে মনে হয়, আমদানি করা বাজি বিক্রিতেই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা চাইছেন, উৎপাদন করে বিক্রি করতে। আরও বেশি ব্যবসায়ী যাতে উৎপাদনের শংসাপত্র পান, সে ব্যাপারে প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে হবে।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Firecrackers Firecracker Market Baruipur Scheduled Castes

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy