E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মিষ্টির কারিগরকে ‘খুনে’ জেল

সরকারি কৌঁসুলি অসীম কুমার জানান, অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানোর মামলায় সাজা হয়েছে আফসারের। মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ন’জন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:৩১

—প্রতীকী চিত্র।

খাওয়ার হোটেলে মিষ্টি কেনা নিয়ে গোলমাল। তা নিয়ে মিষ্টিরকারিগরের সঙ্গে প্রথমে ক্রেতার ঝামেলা, পরে ধাক্কাধাক্কি। ধাক্কার চোটে ফুটন্ত রসের কড়াইয়ে পড়ে গিয়ে পুড়ে মৃত্যু হয় ওইকারিগরের। ২০২৩ সালের কাশীপুর থানার এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত সেই ক্রেতা আফসার আলিকে ছ’বছরের কারাদণ্ড দিল শিয়ালদহ আদালত। সেই সঙ্গে তার পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং ওই টাকা অনাদায়ে আরও ছ’মাস কারাবাসের নির্দেশ হয়েছে। বুধবার এই সাজা শোনান অতিরিক্তজেলা ও দায়রা বিচারক শরণ্যা সেন প্রসাদ।

সরকারি কৌঁসুলি অসীম কুমার জানান, অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানোর মামলায় সাজা হয়েছে আফসারের। মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ন’জন।

আদালতের খবর, ২০২৩-এর মার্চের এক রাতে মত্ত অবস্থায় আফসার ওই হোটেলে যায়। মিষ্টি নিয়ে ঝামেলার জেরেহোটেলের কর্মী, মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা বলরাম ঘোষকে সে মারধর করে এবং ধাক্কা মারে। ধাক্কার চোটে ফুটন্ত রসের কড়াইয়ে পড়ে গিয়েপুড়ে যান বলরাম। আতঙ্কে হোটেলের মালিক চিৎকার করে উঠলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় আফসার। এর পরেহোটেলমালিক বলরামকে ভর্তি করেন আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করে আফসারকে। কয়েক দিন পরে হাসপাতালে মারা যানবলরাম। আফসার জামিনে ছিল। মঙ্গলবার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Murder Case

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy