E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

হয়নি নিকাশির সংস্কার, জলমগ্ন হাওড়ায় হয়রানি

প্রতি বছর দুর্গাপুজো মিটলেই নিকাশি নালাগুলি থেকে পলি তোলার কাজ শুরু করে হাওড়া পুরসভা। কিন্ত ২০২৫-২০২৬ অর্থবর্ষে সেই কাজে হাত দেয়নি তারা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬ ০৮:০৫

— প্রতীকী চিত্র।

এক দিকে বরাত প্রক্রিয়ার জটিলতায় আটকে গিয়েছে হাওড়া শহরের মূল নিকাশি নালা ‘ডাবল ব্যারেল’ সংস্কারের কাজ। অন্য দিকে, বর্ষার আগে নিকাশির সংস্কার না করে ভরা বর্ষায় সেই কাজ করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে হাওড়া পুরসভা। যার জেরে সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবছে শহরের অধিকাংশ ওয়ার্ড।

প্রতি বছর দুর্গাপুজো মিটলেই নিকাশি নালাগুলি থেকে পলি তোলার কাজ শুরু করে হাওড়া পুরসভা। কিন্ত ২০২৫-২০২৬ অর্থবর্ষে সেই কাজে হাত দেয়নি তারা। পুরসভার দাবি, এক দিকে অর্থসঙ্কট, অন্য দিকে প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারপার্সনের পদ থেকে গত অক্টোবরে আচমকা সুজয় চক্রবর্তীর পদত্যাগের জেরে কাজ থমকে যায়। কয়েক মাস পরেই ভোটের জন্য সরকারি বরাত দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ হয়। ফলে নিকাশির সংস্কার হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়েছে হাওড়ার অপেক্ষাকৃত নিচু ওয়ার্ডগুলি। শুক্রবার রাত পর্যন্ত অনেক জায়গা থেকে জল নামেনি বলে অভিযোগ। বৃষ্টির সঙ্গেই দোসর হয়েছে ভয়াবহ ভাঙাচোরা রাস্তা। দক্ষিণের আন্দুল রোড থেকে উত্তরের মহীনাথ পোড়েল লেন, তিনকড়ি নাথ বসু লেনের মতো জায়গায় জমা জলে গর্তে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ। মধ্য হাওড়ার বহু বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে। সেখানকার সাতকড়ি চ্যাটার্জি লেনের বাসিন্দা অমর ঘোষ শুক্রবার বলেন, ‘‘নতুন সরকার এসে নর্দমার পাঁক তোলার ব্যবস্থা করেছে। ঠিকাদারেরা সেই পাঁক রাস্তার পাশে রেখে চলে যাচ্ছেন। বৃষ্টিতে পাঁক ফের নর্দমায় ফিরে যাচ্ছে।’’

হাওড়া পুরসভার নিকাশি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘ডাবল ব্যারেল’ নিকাশি নালা সংস্কারের জন্য পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে বরাত অনুমোদনের আবেদন পাঠানো হয়েছে। পুরসভার নিকাশি দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত এগ্‌জিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার অলোক চৌধুরী বলেন, ‘‘মূলত নির্বাচনের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়ার জটিলতায় ডাবল ব্যারেল সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া যায়নি। তবে বিশেষ প্রয়োজনের ভিত্তিতে আমরা ওই কাজ শুরুর অনুমোদন নেব। শহরের জমা জল নামাতে ২০টি পাম্প হাউস কাজ করছে। ৫৪টি জায়গায় জল নামাতে পাম্প বসানো হয়েছে। ভূ-সংস্থানগত সমস্যার জন্য হাওড়ার কিছু অংশে জল সহজে নামে না। তার জন্য ৪৫০০ কোটি টাকার মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। সেই কাজ চলছে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
drainage system sewage system Howrah

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy