E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কলকাতার কড়চা: নব্বইয়ের মায়ানগর

ইমামি আর্ট গ্যালারিতে (কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি/কেসিসি) চলছে কুশল রায়ের ছবির প্রদর্শনী: ‘শহরনামা, ক্যালকাটা ১৯৯০-১৯৯৩’।

শেষ আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:০৫

সময় জিনিসটা বড় অদ্ভুত। সে কখনও চশমার কাচে জমে থাকা ভোরের কুয়াশা, কখনও আবার আলমারির কোণে অবহেলায় পড়ে থাকা রিল-বন্দি কিছু নেগেটিভ। ত্রিশ-চল্লিশ বছর আগের কলকাতা শুনলে মনে হয় এই তো সেদিন— তখনও কি ছিল মেট্রোপলিসের এই কোলাহল? না কি সে ছিল অন্য কোনও ভূগোলের ঘুমন্ত এক শহর, যাকে আমরা নিজের হাতে বড় করেছি! নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে আলোকচিত্রী কুশল রায় ক্যামেরা নিয়ে হেঁটে বেরিয়েছেন কলকাতার অলিগলিতে। ফ্রেমে ধরেছেন ফুটপাত, বাজার, বা ময়দানের সবুজ। তখন কি জানতেন, তিনি হিমায়িত করছেন সময়কেই?

ইমামি আর্ট গ্যালারিতে (কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি/কেসিসি) চলছে কুশল রায়ের ছবির প্রদর্শনী: ‘শহরনামা, ক্যালকাটা ১৯৯০-১৯৯৩’। নব্বই দশকের শুরুর ক’টি বছর সেখানে থমকে আছে সাদা-কালো ফ্রেমে। বিসর্জনে যাওয়ার আগে অন্নপূর্ণা প্রতিমাকে বৃত্তাকারে ঘিরে মহিলাদের ‘বেড়া-অঞ্জলি’ দেওয়ার এই দৃশ্য (মাঝের ছবি) আজ অতীতস্মৃতি, কারণ সেই প্রাচীন ইমারতের জায়গায় মাথা তুলছে নতুন বহুতল। রাজার ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের ফ্রেমেই যেন হারিয়ে যাওয়ার আগে শেষ শটটি দিয়ে গেলেন গিলে-করা পাঞ্জাবি আর চুনোট-ধুতি পরা সেকালের বাবু। শীতের ময়দানে পল্লবহীন এক প্রাচীন গাছের সামনে দিয়ে এক প্রবীণ দম্পতির নিঃশব্দ হেঁটে যাওয়ার দৃশ্য— যেন জীবনেরও পাতা ঝরার মরসুম। আবার শেষ পর্যন্ত পাশাপাশি পথ চলার শপথও মনে করিয়ে দেয় না কি?

কুশল রায়ের ক্যামেরায় প্রবীণ মানুষদের আড্ডার স্থিরচিত্র আমাদের দেখিয়ে দেয়, সেই নব্বইয়ের তরুণ তুর্কি দল আর এই শহর, দু’জনেই কেমন একসঙ্গে, একটু একটু করে বুড়ো হল। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাক্সবন্দি থাকা ফোটো-নেগেটিভগুলো আজ প্রদর্শনীর প্রকাশ্য আলোয়। রাস্তায় সাদা মারুতি গাড়ি, বাসের ফুটবোর্ডে ঝুলে থাকা মানুষ, সরকারি দুগ্ধ প্রকল্পের হারিয়ে যাওয়া গাড়ি (মূল ছবি), দেওয়ালে দেওয়ালে নির্বাচনী প্রচার— সব নিয়ে সে যেন এক মায়ানগর।

অন্য দিকে আবার, পরিবর্তনের কালচক্র অগ্রাহ্য করে বহাল তবিয়তে বেঁচে থাকে আর এক টুকরো কলকাতাও। বাগবাজারের লক্ষ্মী দত্ত লেনে ঢোকার মুখের গ্যাসবাতির পোস্টের উল্টো দিকে সিংহমুখ জলের কল ঘিরে আজও দেখা যায় মানুষের জটলা— অবিকল আগের মতো! ময়দানের গাছতলায় দাঁড়িয়ে থাকা বাঁশিওয়ালা আনমনা ফুঁয়ে যে সুর তুলে চলেন আজও, তার তো বদল নেই কোনও। শরতের মেঘ আর ছেড়ে-আসা পাড়ার স্মৃতিচিত্র আজও কত প্রবাসীর মনের গভীরে জাগিয়ে তোলে ঘরে ফেরার আকুল টান। এই নীরব বার্তার সূত্র ধরেই যেন নব্বইয়ের দশকের কলকাতার ছবিগুলি মহানগরের চিরকালীন আবেদনের ধারক-বাহক হয়ে ওঠে। সেখানেই তাদের সার্থকতা।

ছবি কথা বলে। তার নিজস্ব ভাষায় বলে চলে এ-শহরের ইতিকথা। নীরব, বাঙ্ময় কথকতার এই আলোকচিত্র-প্রদর্শনীটি শুরু হয়েছে গত ৮ অগস্ট। চলবে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা।

বিস্মৃতপ্রায়

১৯২৬-এ মহেঞ্জোদড়োর আবিষ্কর্তা রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব সর্বেক্ষণ থেকে অবসর নিতে বাধ্য করা হয়। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে প্রয়াত এই প্রত্নবিদের কর্মকাণ্ডের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র অদ্রীশচন্দ্রের (১৯০৯-৭৭) (ছবি) ভারতবিদ্যা-চর্চার কথা। স্নাতকোত্তর পাঠের সময় বাবা-মায়ের প্রয়াণ, বিপুল পিতৃঋণের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে সর্বেক্ষণেই চাকরি নেন অদ্রীশচন্দ্র। আটাশ বছরের কর্মজীবনে তেমন উন্নতি হয়নি, শেষ দু’বছর বাবার মতোই পূর্বাঞ্চলীয় চক্রের দায়িত্বে ছিলেন। তিনটি বই, দু’শোরও বেশি ইংরেজি গবেষণা-প্রবন্ধের লেখক আজ বিস্মৃত, অথচ স্থাপত্য ভাস্কর্য মূর্তিকলা প্রত্নতত্ত্ব লিপিবিদ্যায় ছিল অবাধ বিচরণ। এই প্রথম তাঁর বাংলা রচনাগুলি সঙ্কলিত হল, প্রত্নতত্ত্ব ও শিল্প-ঐতিহ্য: প্রবন্ধসংগ্রহ (সম্পা: ইন্দ্রজিৎ চৌধুরী, অক্ষর প্রকাশনী) গ্রন্থে। সম্প্রতি মেটকাফ হলে এক অনুষ্ঠানে বইটি উদ্বোধন করলেন সুপারিন্টেন্ডিং আর্কিয়োলজিস্ট ডি বি গড়নায়ক, ছিলেন অদ্রীশচন্দ্রের পুত্র দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।

অর্ঘ্য

ষোলো বছর বয়সে প্রথম রেকর্ড, ‘যদি ভুলে যাও মোরে জানাব না অভিমান’। বাংলা গানে ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের মতো শিল্পী বিরল, আধুনিক ও ভক্তিমূলক গানে সমান সাফল্য যাঁর। আজও রসিকমহলে মুখে মুখে ফেরে তাঁর ‘ঝনন ঝনন বাজে’ বা ‘গয়া গঙ্গা প্রভাসাদি’: ভিন্ন আবেদন, কিন্তু কণ্ঠকৃতিতে একে অন্যের পরিপূরক। শিল্পীর ১০৪তম জন্মদিন পালন করবে ‘হারমোনিকা’ সংস্থা, ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় সুকিয়া স্ট্রিটের রামমোহন মঞ্চে, শিবেন দাসগুপ্তের পরিচালনায়। প্রতিভাময় শিল্পীদের উৎসাহদানে অক্লান্ত ছিলেন ধনঞ্জয়বাবু, এই সন্ধ্যায় তেমন ক’জন মালা গাঁথবেন সঙ্গীতশ্রদ্ধার।

পুতুলনাট্য

শরতের মেঘ উঁকি দিতে না দিতেই ফের আকাশের মুখ কালো। তা বলে কি থেমে থাকবে উৎসব? তাও আবার পুতুলনাট্যের? শহরের পুতুলনাট্য-দল ‘ডলস থিয়েটার’-এর উদ্যোগে সিএলটি অবন মহলে আন্তর্জাতিক পুতুলনাটকের আসর বসেছে, গতকাল গুসকরার আমজারুলিয়া গ্রামের দিলীপ মুর্মু ও সম্প্রদায় দেখিয়েছেন ঐতিহ্যবাহী চদর বদর পুতুলনাচ, ছিল উদ্যোক্তাদের প্রযোজনা সাঁতরাগাছির ঝিল, টেমিং অব দি ওয়াইল্ড। আজ মহারাষ্ট্রের দয়তি লোককলা সংবর্ধনা অ্যাকাডেমির নিবেদন সীতায়ন আর ‘নট আ স্টোরিটেলার হদয়পুর’-এর আগাডুম বাঘাডুম। রবিবার একলব্যের কাহিনি-আধারিত দি আর্চার স্টুড অ্যালোন (ডলস থিয়েটার), পরে কলম্বিয়ার শিল্পী নিকোলাস বার্নাল-এর রিবার্থ, ‘রং-বেরং’-এর সিঁধেল কাঠি দিয়ে উৎসব শেষ।

মননের আলো

কৈশোরে রেলে বোমা ফেলার অভিযোগে আলিপুর জেলে বন্দি। রাজনীতিসূত্রে কারাবাস, পুলিশে নাম ওঠা— দমাতে পারেনি বিদ্যাচর্চার জেদ, নৃবিজ্ঞানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি ফিল। আচরণবাদী বিজ্ঞানী অধ্যাপক গৌরাঙ্গ পি চট্টোপাধ্যায় ছিলেন আইআইএম কলকাতায় মুক্তচিন্তার আলো, আড়াই দশকেরও বেশি পড়িয়েছেন সেখানে। ‘ট্যাভিস্টক গ্রুপ’ মডেল-প্রাণিত হয়ে সত্তর দশকে তাঁর সূত্রে ভারতে ‘গ্রুপ রিলেশনস’ ও আচরণবাদী বিজ্ঞানচর্চার শুরু। পরিবারসূত্রে রামমোহন, বিদ্যাসাগর ও সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে অন্বিত, প্রাজ্ঞ মানুষটি নিজেকে নাস্তিক দাবি করেও গীতার বাণীকে প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তগ্রহণের বিবেচনায় রেখে লিখেছেন আকরগ্রন্থ; একাধারে তিনি কবি, অনুবাদকও। ১৩ অগস্ট চলে গেলেন ৯৫ বছর বয়সে, ফুরোল এক প্রথাভাঙা জীবনকাব্য।

উৎসব-ছবি

কাহিনিচিত্র, ছোট ছবি, প্রামাণ্যচিত্র। চলচ্চিত্র-উৎসব তো এই সব নিয়েই। ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ় অব ইন্ডিয়া (এফএফএসআই)-এর পূর্বাঞ্চল শাখা গত চার বছর ধরে বিশ্ব-সিনেমার সম্ভার উপহার দিচ্ছে শহরকে, ‘ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ। পঞ্চম বছরের উৎসব আগামী ৮-১৩ সেপ্টেম্বর নন্দন ৩-এ, রোজ বেলা ১২টা থেকে। প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে ১৯টি ফিচার ছবি, শর্ট ফিকশন আর ডকুমেন্টারিও পনেরোরও বেশি। ভারত বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা ইরান-সহ এশিয়া ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার নানা দেশের সাম্প্রতিক সব সিনেমা, ‘রেট্রোস্পেক্টিভ’ বিভাগে আলেকজ়ান্ডার ক্লুগে-র তিনটি কাহিনিচিত্রও। বিমল রায়, হরিসাধন দাশগুপ্ত ও চিদানন্দ দাশগুপ্তের নামে দু’টি করে পুরস্কারও দেওয়া হবে।

চিত্রবৈচিত্র

ভারতে পরাবাস্তববাদী শিল্প আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ তিনি। তাঁর শিল্পকর্মে কোথাও ওড়িশার লোকশিল্প-প্রাণিত জীবন, প্রকৃতি, পশুপাখির প্রাণবন্ত রূপ, কোথাও ছয় ঋতুর মেজাজ ফুটিয়ে তোলা উজ্জ্বল জলরঙের ছবি। আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, বাংলার দুর্ভিক্ষ, দেশভাগের অভিঘাতে যন্ত্রণায় বিকৃত, মর্মস্পর্শী সব মুখাবয়ব। এই বৈচিত্রই বিস্মৃতপ্রায় শিল্পী অশোক মুখোপাধ্যায়ের (১৯১৩-৬৯) ছবির প্রাণ। সরকারি আর্ট কলেজের প্রাক্তনী, বসন্ত গঙ্গোপাধ্যায় সতীশ সিংহের মতো মাস্টারমশাইদের কাছে তালিমপ্রাপ্ত তিনি; জলরং, টেম্পেরা তেলরং, সব মাধ্যমেই ছিলেন স্বচ্ছন্দ। শিল্পীর বেশ কিছু চিত্রসংগ্রহ (ছবি) নিয়ে ‘মাধ্যম’ সংস্থার উদ্যোগে গত ২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে চিত্রপ্রদর্শনী ‘বিয়ন্ড ইলিউশন’— চারুবাসনা, যোগেন চৌধুরি সেন্টার ফর আর্টস-এর গ্যালারি চিত্তপ্রসাদ ও সুনয়নী চিত্রশালায়। চলবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বেলা ২-৮টা (রবিবার খোলা)।

দেশনেতা

আই ওয়ার্নড মাই কান্ট্রিমেন। ভারতের স্বাধীনতার আগে-পরে, ১৯৪৫-৫০ সময়পর্বে শরৎচন্দ্র বসুর (ছবি) রচনাদি সঙ্কলন ও সম্পাদনা করে ১৯৬৮ সালে যে বইটি প্রকাশ করেন শিশিরকুমার বসু, তার নাম ছিল এমনই। উৎসর্গ করা হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের মানুষকে। সুভাষচন্দ্রের প্রিয় ‘মেজদা’ তাঁর মহানিষ্ক্রমণ-উত্তর ভারতের রাজনীতিতে ছিলেন সবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসের সদস্য ও পরে সভাপতি; ফজলুল হক সরকারে মন্ত্রীও। রাজনীতির ডামাডোল দেশভাগ আটকাতে পারেনি, কিন্তু ইতিহাসে খোদিত আছে শরৎচন্দ্রের বেদনাবিদ্ধ চেতাবনি। আগামীকাল এই দেশনেতার ১৩৭তম জন্মবার্ষিকী, আজ সন্ধ্যা ৬টায় নেতাজি ভবনে অনুষ্ঠান নেতাজি রিসার্চ ব্যুরো-র উদ্যোগে। ‘রাজনীতিতে নৈতিকতা: বসু-ভাইয়েরা’ প্রসঙ্গে বলবেন সুগত বসু, সুমন্ত্র বসু পড়বেন শিশিরকুমারের স্মৃতিকথা থেকে। আর আছে শৌনক চট্টোপাধ্যায়ের গান।

অন্য জীবনানন্দ

ধূসররঙা পাতলা খাতা একখানা, উপরে কলমে লেখা বছরটা, ইংরেজিতে: ১৯২৫। পাতা ওল্টালে, আবারও, ইংরেজিতেই: ‘পোয়েমস বাই জীবনানন্দ দাশ/ক্যালকাটা— ১৯২৫’। তার পর, বাকি খাতা জুড়ে ডান দিকের পাতাগুলোয় লেখা হয়েছে এক-একটা ইংরেজি কবিতা, স্পষ্ট সুন্দর ইংরেজি হস্তাক্ষরে। দেখে মনে হয়, যেন প্রকাশককে পাঠানোর জন্য ছিমছাম প্রস্তুতি। এই কবির নাম— জীবনানন্দ দাশ! ১০১ বছর আগের এই কবিতাখাতা তথা ইংরেজি কবিতাগুচ্ছের এই পাণ্ডুলিপি ভূমেন্দ্র গুহ-এস্টেট সূত্রে ২০১৯-এ আসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কুল অব কালচারাল টেক্সটস অ্যান্ড রেকর্ডস (এসসিটিআর)-এ। তারই নির্দেশক অভিজিৎ গুপ্তের তত্ত্বাবধানে, ‘প্রতিক্ষণ’ ও ‘এসসিটিআর’-এর একত্র উদ্যোগে সম্প্রতি প্রকাশিত হল কবিতাখাতাটির ফ্যাক্সিমিলি সংস্করণ, সম্পূরক একটি মোনোগ্রাফও।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Emami Art Gallery photography exhibition Kolkata Karcha

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy