E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

জিরাট সেতু ভেঙে নতুন সেতু, বিকল্প পথের ভাবনা

যদিও কবে সেতু ভাঙার কাজ শুরু হবে, এখনও প্রশাসন জানায়নি। পুলিশের অনুমান, ওই সেতুর পাশে বেলি ব্রিজ তৈরি শেষ হলেই পুরনো সেতুটি ভাঙা শুরু হবে। লালবাজার জানিয়েছে, প্রতিদিন জিরাট সেতু দিয়ে কয়েক হাজার গাড়ি যাতায়াত করে।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:০৯
জিরাট সেতু।

জিরাট সেতু। — ফাইল চিত্র।

শতবর্ষের পরে আরও ২২ বছর পার। ১২২ বছরের রুগ্‌ণ সেতু ভেঙে তৈরি হবে নতুন সেতু। বদলে যাবে আলিপুরের বেলভেডিয়ার রোডে চিড়িয়াখানার সামনে লোহার তৈরি পুরনো জিরাট সেতু।

যদিও কবে সেতু ভাঙার কাজ শুরু হবে, এখনও প্রশাসন জানায়নি। পুলিশের অনুমান, ওই সেতুর পাশে বেলি ব্রিজ তৈরি শেষ হলেই পুরনো সেতুটি ভাঙা শুরু হবে। লালবাজার জানিয়েছে, প্রতিদিন জিরাট সেতু দিয়ে কয়েক হাজার গাড়ি যাতায়াত করে। বেশির ভাগই দক্ষিণ কলকাতা ও দক্ষিণ শহরতলির। চিড়িয়াখানার সঙ্গে যোগাযোগের বড় মাধ্যমও ওই সেতু। আশঙ্কা, সেতু ভাঙলে যানজট বাড়বে বেলভেডিয়ার রোডে।

বেলভেডিয়ার রোডের উপরে চিড়িয়াখানার কাছে দু’টি সেতু রয়েছে। যার একটি এই জিরাট। ওই সেতু দিয়ে আলিপুরের দিক থেকে হেস্টিংস বা রেস কোর্সের দিকে যাওয়া যায়। অন্য সেতুটি কয়েক দশক আগে তৈরি, যা সারদামণি সেতু নামে পরিচিত। ওই সেতু দিয়ে গাড়ি যায় রেস কোর্স থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানা অভিমুখে।

লালবাজার সূত্রের খবর, জিরাট সেতুর পাশে টালি নালার উপরে একটি ফুটব্রিজ তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল ট্র্যাফিক পুলিশ। পরিদর্শনে গিয়ে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সেচ দফতরের অফিসারদের নজরে আসে জিরাট সেতুর দুর্দশা। ঠিক হয়, সেতুটি ভেঙে তৈরি হবে।

গত কয়েক বছর ধরেই জিরাট সেতু দিয়ে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বর্তমানে জিরাট সেতু, কালীঘাট সেতু ও খিদিরপুরের লোহার সেতু দিয়ে ভারী পণ্যবাহী যান চলাচল বন্ধ আছে। শুধুমাত্র খিদিরপুরের দইঘাট সেতু ও ধন্যধান্য সেতু দিয়ে ভারী গাড়ি যায়।

জিরাট সেতু ভাঙা হলে বিকল্প রাস্তা কী? পুলিশ জানিয়েছে, সারদামণি সেতুর পাশে টালি নালার উপরে দু’লেনের বেলি ব্রিজ করার জন্য সেচ দফতরকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। টালি নালা ও সারদামণি সেতু সংলগ্ন একটি হোটেলের কাছে দু’লেনের কম অব্যবহৃত রাস্তার অংশ রয়েছে। নালার অপর প্রান্তে রয়েছে বিএসএনএলের অফিস। পুলিশের কর্তারা বিএসএনএলের সঙ্গে কথা বলেছেন, যাতে ওই অব্যবহৃত অংশ দিয়ে বেলি ব্রিজে যাতায়াতের অস্থায়ী পথ তৈরি করা যায়। আগামী বুধবার পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের পরিদর্শনে যাওয়ার কথা।

পুলিশের দাবি, বেলি ব্রিজ তৈরি হলে সেখান দিয়ে রেস কোর্স থেকে চিড়িয়াখানার দিকে ছোট গাড়ি যাবে। অন্য দিকে, সারদামণি সেতু দিয়ে গাড়ি আসবে উল্টো দিকে। এতে যানজট কম হবে। দেড় বছরে বেলি ব্রিজের কাজ শেষ হবে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Lalbazar bridge maintenance

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy