রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুরে সুপারিবাগান এলাকায় শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে ধৃত ওই ব্যক্তির নাম মহম্মদ শাহেনশা। সে জমি, বাড়ির দালালির কাজ করে। তারই মধ্যস্থতায় কয়েক দিন আগে সুপারিবাগানের বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত শামিম।
শুক্রবার রাতের ওই বিস্ফোরণে এক ব্যক্তি জখম হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দু’টি ঘর। তদন্তে নেমে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে শনিবার প্রথমে গ্রেফতার করা হয় মহম্মদ শামিমকে। তার আগে পুলিশ শাহেনশাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।
পুলিশ সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাথমিক ভাবে অনুমান, ঘর ভাড়া নেওয়ার নেপথ্যে শুধু বসবাস করা নয়, বোমা-সহ অন্যান্য সামগ্রী রাখার ভাবনাও ছিল ধৃত শামিমের। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ আরও এক বড় মাথার নাম জানতে পেরেছে। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। কিন্তু এমন ঘিঞ্জি জায়গায় একটি বাড়িতে বোমা রাখার মতো দুঃসাহস কী ভাবে হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের একাংশের অনুমান, বোমা ফেটে যাবে, সেটা সম্ভবত ভাবতে পারেনি ধৃতেরা।
রাজনৈতিক এবং স্থানীয় সূত্রের খবর, তৃণমূলের আমলে ওই এলাকায় যাঁরা দাপট দেখিয়েছেন, তাঁদের পাল্টা শক্তি হিসেবে একটি চক্র সক্রিয় হচ্ছিল। ধৃতেরা তারই অংশ। সরকারি ভাবে বিধাননগর পুলিশের বক্তব্য সামনে না এলেও সূত্রের খবর, ঘটনার নেপথ্যে এলাকার দখলদারির বিষয়টি একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।