E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

বিসর্জনের ঘাটে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে ৩০০ জন মোটবাহককেও

পুলিশ জানিয়েছে, অতীতে ক্রেনে করে প্রতিমা ট্রলার বা ট্রাক থেকে নামিয়ে জলে বিসর্জন দেওয়া হত। কিন্তু রাজ্য সরকার এ বার সেই প্রথা বাতিল করে দিয়েছে। তার বদলে এ বার ঠিক হয়েছে, বাজেকদমতলা ঘাট এবং নিমতলা ঘাটে প্রতিমা ট্রেলার থেকে নামিয়ে ট্রলিতে করে নিয়ে গিয়ে বিসর্জন দেওয়া হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:০৯
ভাসানের জন্য প্রস্তুত ট্রলি। মঙ্গলবার, বাজেকদমতলা ঘাটে।

ভাসানের জন্য প্রস্তুত ট্রলি। মঙ্গলবার, বাজেকদমতলা ঘাটে। ছবি: রণজিৎ নন্দী।

বড় প্রতিমা ট্রেলার থেকে তুলে জলে বিসর্জন দেওয়ার জন্য এ বছরই প্রথম রাখা হচ্ছে ট্রলি। সেই ট্রলিতে কোনও রকম সমস্যা দেখা দিলেও যাতে প্রতিমা বিসর্জনে বিঘ্ন না ঘটে, তার জন্য শহরের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটে ৩০০ জনেরও বেশি মোটবাহককে রাখা হচ্ছে কলকাতা পুরসভার তরফে। সূত্রের খবর, বাজেকদমতলা এবং নিমতলা ঘাটেই মূলত বড় বড় পুজো কমিটির প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। তাই ওই দু’টি ঘাটে এক জন করে উপ-নগরপালের নেতৃত্বে বাহিনীর পাশাপাশি রাখা হচ্ছে ওই মোটবাহকদের। যাঁদের কাজ হবে, ট্রলার থেকে প্রতিমা ওই ট্রলিতে তোলা না গেলে সেটি কাঁধে করে বয়ে নিয়ে গিয়ে গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া। নিয়ম মেনে তার আগে প্রতিমাকে সাত পাক ঘোরাবেন তাঁরা।

পুলিশ জানিয়েছে, অতীতে ক্রেনে করে প্রতিমা ট্রলার বা ট্রাক থেকে নামিয়ে জলে বিসর্জন দেওয়া হত। কিন্তু রাজ্য সরকার এ বার সেই প্রথা বাতিল করে দিয়েছে। তার বদলে এ বার ঠিক হয়েছে, বাজেকদমতলা ঘাট এবং নিমতলা ঘাটে প্রতিমা ট্রেলার থেকে নামিয়ে ট্রলিতে করে নিয়ে গিয়ে বিসর্জন দেওয়া হবে। এর জন্য থাকছে ২০টি ট্রলি। তার মধ্যে বাজেকদমতলা ঘাটে থাকছে ১২টি ট্রলি। বাকিগুলি নিমতলা ঘাটে। ওই ট্রলিতে করেই প্রতিমাকে সাত পাক ঘোরানো যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এক পুলিশকর্তা জানান, নতুন ব্যবস্থায় কোনও সমস্যা দেখা দিলে প্রতিমা বিসর্জন যাতে বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য বিকল্প সব ব্যবস্থাই রাখা হয়েছে। সোমবার গঙ্গার ঘাটগুলি পরিদর্শন করেছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা। পুরসভা সূত্রের খবর, প্রতিমা নিরঞ্জনের পরে জল থেকে কাঠের এবং বাঁশের কাঠামো ক্রেন দিয়েই তুলে ফেলা হবে বলে ঠিক হয়েছে। এ বার কলকাতা পুলিশ এলাকায় বারোয়ারি পুজোর মোট সংখ্যা তিন হাজারের বেশি। এ ছাড়া, রয়েছে এক হাজারের মতো বাড়ির পুজো।

লালবাজার জানিয়েছে, এ বছর প্রতিমা বিসর্জন হবে মোট চার দিন। কলকাতা পুলিশ এলাকার মোট ৬৮টি ঘাটে করা যাবে প্রতিমা বিসর্জন। এর মধ্যে ২৪টি গঙ্গার ঘাট। প্রতিটি ঘাটে থাকবেন দু’জন করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্য। তাঁদের সঙ্গে থাকবে একটি করে নৌকা। ওই ঘাটগুলির নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে গঙ্গাবক্ষে তিনটি স্পিড বোট এবং পাঁচটি লঞ্চে করে চলবে পুলিশের নজরদারি। বাজেকদমতলার মতো ঘাটে চলবে জেট স্কি-র সাহায্যে নজরদারিও। এ ছাড়া, নজর-মিনার থেকেও চলবে নজরদারি। গঙ্গার ঘাটে আসার সমস্ত রাস্তাতেও থাকবে পুলিশের নজরদারি। এর জন্য বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মোতায়েন করা হচ্ছে পুলিশ আধিকারিকদের।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Durga Puja Durga idol immersion Durga Puja Crowd

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy