E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

নেই টাস্ক ফোর্সের নজর, লাফ আনাজের দামে

গড়িয়াহাট, মানিকতলা বাজার থেকে শোভাবাজার, উত্তর-দক্ষিণ সর্বত্রই বেগুনের দাম কেজিপ্রতি ১২০ টাকা, উচ্ছে ও ঝিঙে ৮০ টাকা। ক্যাপসিকাম ১২০ টাকা, বিনস প্রায় ২০০ টাকা। পটল-ঢেঁড়সের কেজিপ্রতি দাম ৪০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০-৬০ টাকা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৬ ০৯:০১

— প্রতীকী চিত্র।

সেঞ্চুরি পেরিয়ে গিয়েছে কিছু আনাজের। কয়েক জন আবার সেঞ্চুরির দোরগোড়ায়। বাজারে গিয়ে ব্যাগের এক-তৃতীয়াংশ ভর্তি হতে হতে না হতেই মধ্যবিত্তের পকেট কার্যত ফাঁকা। সেই সঙ্গে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য যে টাস্ক ফোর্স মাঝেমধ্যে ঘুরত, তা-ও পালাবদলের পরে তৈরি হয়নি। ফলে মধ্যবিত্তের অভিযোগ, নজরদারির অভাবে বাজারে গিয়ে এখন নাভিশ্বাস অবস্থা। শুধু আনাজই নয়, ডিমের দাম এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা। এমন চললে একটা ডিমের দাম অচিরেই ১০ টাকা হবে বলে মনে করছেন অনেকে।

গড়িয়াহাট, মানিকতলা বাজার থেকে শোভাবাজার, উত্তর-দক্ষিণ সর্বত্রই বেগুনের দাম কেজিপ্রতি ১২০ টাকা, উচ্ছে ও ঝিঙে ৮০ টাকা। ক্যাপসিকাম ১২০ টাকা, বিনস প্রায় ২০০ টাকা। পটল-ঢেঁড়সের কেজিপ্রতি দাম ৪০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০-৬০ টাকা। কোলে মার্কেটের জনসংযোগ আধিকারিক তথা ওয়েস্ট বেঙ্গল চাষি ভেন্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট কমল দে বলেন, ‘‘বর্ষাকালে বেগুনের দাম বেশি থাকে। তবে পটল-ঢেঁড়সের দাম মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই থাকে। খোলা বাজারে এর দাম ৩০-৪০ টাকার মধ্যে থাকা উচিত।’’

বাজারে নজরদারি করতে বিগত সরকারের আমলে তৈরি টাস্ক ফোর্স এখন কাজ করছে না। ফলে পাইকারি ও খোলা বাজারে আনাজের দামের বিশাল পার্থক্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। কোলে মার্কেটের এক পাইকারি আনাজ বিক্রেতা বলেন, ‘‘পটল আর ঢেঁড়সের কিন্তু পাইকারি বাজারে দাম ১৫-২০ টাকা। উচ্ছের পাইকারি দাম কেজিপ্রতি ৫০ টাকা, বেগুনের ৭০-৮০ টাকা। কিন্তু আনাজের এই দাম খোলা বাজারে এতটা বেড়ে যাওয়ার কারণ, এ দিকে নজরদারি করার কেউ নেই।’’ তৃণমূল আমলের টাস্ক ফোর্সের এক সদস্য বলেন, ‘‘শেষ টাস্ক ফোর্স বাজারে ঘুরেছে গত ফেব্রুয়ারিতে। নতুন সরকার টাস্ক ফোর্স তৈরি করেনি বলেই জানি। বাজারে নজরদারি করতে কিন্তু এটা থাকা জরুরি।’’

গত কয়েক দিনে ডিমের দাম সাত টাকা থেকে হয়েছে ৯ টাকা। স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল নিরামিষ দেওয়ার কথা হলেও এখনও পড়ুয়াদের ডিম দেওয়া হচ্ছে। তবে শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, ডিম দেওয়া ক্রমশই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মদনমোহন মাইতি বলেন, ‘‘মুরগির খাবার, বিশেষত সয়াবিন ও ভুট্টার দাম বেড়েছে। আগে বিদেশ থেকে এগুলো আমদানি হত, এখন দেশেই উৎপাদন হয়। তবে এ বার দেশে মুরগির খাবার উৎপাদন কম হয়েছে। মুরগি প্রতিপালনের খরচ বৃদ্ধি হওয়ায় ডিমের দামও বেড়েছে।’’ তবে তাঁর দাবি, শ্রাবণ মাসে অনেকেই নিরামিষ খান বলে ডিমের চাহিদা কমে। ফলে দাম তাড়াতাড়ি কমার সম্ভাবনা আছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Price Hike Vegetable Price

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy