পুলিশের নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থাকা সরকারি অফিস চত্বরের পুকুরে ভাসছে মরা মাছ! অভিযোগ, পুকুরের মাছ চুরি করতে জলে কীটনাশক দেওয়া হয়েছে। রবিবার বিষয়টি নজরে আসতেই তদন্তে নামল কাশীপুর থানা। পুলিশ সূত্রের খবর, দু’জনকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ধৃতদের নাম হিমাদ্রি সাহা এবং সোহরাব আলি।
কাশীপুর থানা এলাকার বি টি রোড সংলগ্ন অঞ্চলেই রয়েছে কলকাতা পুলিশের অষ্টম এবং দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের প্রধান কার্যালয়। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থাকা এই কার্যালয়ের ভিতরের জলাশয়ে মাছ চাষ করা হয়। অভিযোগ, দিন চারেক আগে সেই জলাশয়ে মরা মাছ ভাসতে দেখেন কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে জলাশয় জুড়ে মরা মাছ ভেসে ওঠায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এর পরের দিনই কলকাতা পুলিশের ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার এক আধিকারিক কাশীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের প্রতিটি ব্যাটালিয়নে এক হাজারের মতো পুলিশকর্মী থাকেন। কাশীপুরের কার্যালয়ে দু’টি ব্যাটালিয়নের প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি পুলিশের থাকার জায়গাও রয়েছে। বিনা অনুমতিতে বাইরের কেউ ভিতরে ঢুকতেও পারেন না। এমন জায়গায় এই ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।
কাশীপুর থানার তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। জলাশয় থেকে দু’টি কীটনাশক জাতীয় জিনিসের খালি বোতলও উদ্ধার হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে হিমাদ্রি ও সোহরাবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে শুধুই মাছ চুরি করার লক্ষ্য ছিল, না কি অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল তাদের, দেখছেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত কিনা, তা-ও দেখা হচ্ছে।